পোস্টগুলি

নিতাই বাবু লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মহিলাদের অনিয়মিত সাদা স্রাব: কারণ

ছবি
  অনিয়মিত সাদা স্রাব (লিউকোরিয়া) — কারণ, পরীক্ষা, করণীয় ও প্রতিকার অনিয়মিত সাদা স্রাব (লিউকোরিয়া): কারণ, পরীক্ষা, করণীয় ও প্রতিকার লিখেছেন: আপনার ব্লগ নাম • হালনাগাদ: ২০২৫ যোনি থেকে সাদা বা দুধসনের মতো স্রাব (leukorrhea) অনেক সময় স্বাভাবিক—মহিলাদের স্বাভাবিক ফ্লোরা ও হরমোনের ফলেই এটি ঘটে। কিন্তু স্রাব যদি হঠাৎ রঙ, গন্ধ বা পরিমাণে বদলে যায় বা সঙ্গে চুলকানি, জ্বালা বা ব্যথা থাকে—তবে এটি সংক্রমণ বা অন্য কোনো সমস্যা নির্দেশ করতে পারে এবং গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। 0 ১) কী স্বাভাবিক — কী অস্বাভাবিক? স্বাভাবিক: পাতলা, স্বচ্ছ বা হালকা সাদা; গন্ধহীন; পরিমাণ চক্রভেদে পরিবর্তিত হয় (বরাবর বেশি বা কম)। গর্ভাবস্থায় স্রাব বেড়ে যেতে পারে—এটিও স্বাভাবিক হিসেবে ধরা হয়। 1 অস্বাভাবিক/চিন্তার লক্ষণ: গাঢ় হলুদ, সবুজ বা ধূসর রঙ; দুর্গন্ধযুক্ত (মাছি-মাছি গন্ধ); চর্মে জ্বালা বা লালত্ব; প্রস্রাবের সময় জ্বালা; অনবরত বা ব্যথাসহ স্রাব। দেখা মাত্রই চিকিৎসকের কাছে যাওয়াই বাঞ্ছনীয়। 2 ২) প্রধান কারণগুলো (সংক্ষেপে) ...

পবিত্র ব্রহ্মপুত্র নদে পূণ্যস্নান করে আমি কি পাপ মুক্ত হয়েছি? – লাঙ্গলবন্ধ মহাঅষ্টমী স্নানের কাহিনী

ছবি
  পবিত্র ব্রহ্মপুত্র নদে পূণ্যস্নান করে আমি কি পাপ মুক্ত হয়েছি? নিতাই বাবু Published 06:30pm : Updated : এই চৈত্রমাস আসলেই আমি একটা দুশ্চিন্তায় থাকি সব সময়৷ কারণ হলো লাঙ্গলবন্ধ স্নান ! সারাদিন বাইরে কাজ করে ঘরে আসলেই শুরু হয় ঐ লাঙ্গলবন্ধের প্রেমতলার বাদ্যযন্ত্রের আওয়াজ৷ আর এই আওয়াজ হলো আমার স্ত্রীর গলার আওয়াজ৷ এবার আর ছাড়বো না, এবার যেতেই হবে, মা বাড়ি থেকে এখানে আসছে স্নানে যাওয়ার জন্য, তোমাকে সাথে যেতেই হবে ইত্যাদি ইত্যাদি৷ আমার স্ত্রী আবার খুবই ধার্মিক, স্বামী ভক্তি না থাকলেও গুরুভক্তি আনেক৷ স্বামীর চরণ ছুঁইয়ে ভক্তি না দিলেও গুরুর চরণের আঙ্গুল চেঁটে খাওয়া লোক আমার স্ত্রী৷ যাক সব কথা, কিন্তু আমার কথা হলো যে স্নানে যেয়ে স্নান করলে যদি পাপ মোছনই হতো, তবে মানুষ সারা বছর পাপযুক্ত যত কাজ আছে সব কাজ সম্পাদন করে চৈত্রমাসের এই দিনকার আশায় থাকত৷ সমস্যা নাই পাপের কাজ করার জন্য৷ স্নানতো আছে? লাঙ্গলবন্ধের ব্রহ্মপুত্র নদ তো আছে? সেখানে গিয়ে স্নান করলেই তো পাপমুক্ত হয়ে যাব৷ এসব কথাগুলো আমার স্ত্রীকে শোনালাম, যাতে সে যেন বুঝতে পারে পাপ মোছনের জায়গা লাঙ্গলবন্ধের ব্রহ্মপুত্র নদ নয়, পাপ ম...

বিশ্বের ধর্ম ও বিশ্বাসের একতা: মানবতার সাধারণ ভিত্তি

ছবি
  বিশ্বের ধর্ম ও বিশ্বাসের একতা: মানবতার সাধারণ ভিত্তি বিশ্বের ধর্ম ও বিশ্বাসের একতা: মানবতার সাধারণ ভিত্তি পৃথিবীজুড়ে বিভিন্ন ধর্ম ও বিশ্বাসের প্রচলন রয়েছে, যেমন হিন্দু ধর্ম , ইসলাম ধর্ম , বৌদ্ধ ধর্ম , খ্রিস্ট ধর্ম , ইহুদি ধর্ম , নাদারা এবং আরও অনেক ছোট-বড় ধর্ম ও আচার-অনুষ্ঠান। এসব ধর্ম ও বিশ্বাসের বৈচিত্র্য থাকা সত্ত্বেও তাদের মূল উদ্দেশ্য মানব জীবনের উন্নতি, শান্তি এবং সমৃদ্ধি অর্জন। প্রত্যেকটি ধর্মই শিক্ষা দেয় ভালোবাসা , সহিষ্ণুতা , দয়া , ন্যায়পরায়ণতা এবং পরস্পরের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মূল্যবোধ । আচার-অনুষ্ঠানের পার্থক্য থাকলেও, মানবিক মূল্যবোধে সকল ধর্ম একসূত্রে গাঁথা। "ধর্ম কোনো বিভাজন নয়, বরং মানুষের মধ্যে একতা ও সংহতির সেতুবন্ধন।" আমাদের উচিত পারস্পরিক ভিন্নতাকে গ্রহণ করে, একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান গড়ে তোলা। কারণ আমরা সবাই একই সূর্যের আলোয় আলোকিত, যার অন্তরে রয়েছে ভালোবাসা ও বিশ্বাসের এক অপার শক্তি। সুতরাং, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, ইহুদি, নাদারা কিংবা অন্য যে কোনো ধর্মের অনুসারী হোন, আমরা সবাই এক মানবজাতি; যার একমাত্র...

শ্মশানের নীরবতা: অহংকারের ছাইচাপা শিক্ষা

ছবি
  🪔 শ্মশানের নীরবতা: অহংকারের ছাইচাপা শিক্ষা একদিন গুরু বলেছিলেন— "যখন সময় পাবি, শ্মশানে আছিস— দেখবি কত অহংকার পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে।" সে উপদেশ আজও কানে বাজে। সত্যিই তো! এই দুনিয়ার সব চাহিদা, লোভ, ক্রোধ, হিংসা, দম্ভ— সবই তো এক মুঠো ছাইয়ে শেষ হয়ে যায়। সেখানে নেই কোনো জাত-বর্ণের পার্থক্য, নেই ধনী-গরিবের ভেদাভেদ। চিতা যখন জ্বলে ওঠে, তখন সকলের দেহই একইভাবে পুড়ে ছাই হয়। সেই ছাইভস্ম বাতাসে উড়ে চলে যায়, যেখানে আর কেউ ফিরে তাকায় না। জীবনের এই নির্মম সত্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলে, অন্তরের অন্ধকারে আলোর রেখা পড়ে। তখন নিজেকে প্রশ্ন করতে হয়— “আমি কি পারছি অহংকার পরিহার করতে? পারছি কি লোভ, লালসা, হিংসা, পরনিন্দার জাল ছিঁড়ে বের হতে?” শ্মশান আমাদের শেখায়— জীবন ক্ষণিক, মৃত্যু নিশ্চিত। অথচ সেই চিরসত্যকে ভুলে আমরা প্রতিদিন যে দম্ভে, যে বিভ্রান্তিতে জীবন পার করি, তার শেষ পরিণতিই তো সেই নীরব শ্মশান। যেখানে কেউ কিছু বলতে আসে না, কেউ কিছু নিতে পারে না। আজ বেঁচে আছি— কাল কে জানে কোথায় থাকব! সময় থাকতে তাই নিজেকে শুধরে...

যেই গল্পের শেষ নেই

ছবি
যেই গল্পের শেষ নেই - কবিতা ✨ যেই গল্পের শেষ নেই ✨ ✍️ লেখক: নিতাই বাবু 🪶 ভূমিকা জীবনে কিছু কিছু গল্প থাকে, যেগুলোর শুরু কোথা থেকে তা মনে থাকে না, আবার শেষ কবে হবে—সেটাও কেউ জানে না। সেই গল্পগুলো হয়তো কারো চোখে জল হয়ে ঝরে, কারো ঠোঁটের কোণে হাসি হয়ে ফুটে ওঠে। এই কবিতাটি ঠিক তেমন এক অন্তহীন অনুভবের গল্প , যেটা কোনো এক নীরব বিকেলে শুরু হয়, আর চলে যায় সময়ের সীমানার বাইরেও। এই কবিতা শুধু শব্দের নয়—এটা ভালোবাসার, প্রতীক্ষার, আর মানুষের মধ্যেকার এক নীরব সংলাপ। 🌠 মূল কবিতা 🌅 একটা গল্প শুরু হয়েছিলো একটি নিঃশব্দ সন্ধ্যায়... দিগন্তে তখন শেষ রোদের হালকা আঁচ, পাখিরা ফিরছিলো আপন গৃহে 🕊️। 📖 সেই গল্পের — না ছিলো সূচনা, না ছিলো পরিণতি, শুধু কিছু অনুভূতি, শব্দহীন ভাষা… যা হৃদয় দিয়ে অনুভব করা যায়। ❤️ গল্পটা কেমন ছিলো? তোমার-আমার মাঝখানে একটা অলিখিত কবিতা, যেখানে প্রত্যেকটা নিঃশ্বাস একটি করে বাক্য হয়ে জন্ম নেয়। 🌊 প্রতিদিন নতুন একটি পৃষ্ঠা, নতুন আলো, নতুন ছায়া— ...

আমরা কী না খাই?

ছবি
  আমরা কী না খাই? আমরা ভাত খাই, মাছ খাই, মাংস খাই, বিস্কুট খাই, রুটি খাই, কলা খাই, ডিম খাই, মামলেট খাই, ভাজি খাই, হালুয়া খাই, পরোটা খাই, পরেরটা খাই, আমরা কী না খাই? আমরা সব খাই! আমরা বুট খাই, বাদাম খাই, চানাচুর খাই, বার্গার খাই, কেক খাই, জিলাপি খাই, নিমকি খাই, মুড়ি খাই, চিড়া খাই, খিরা খাই, কীড়া খাই, কসম খাই, আমরা কী না খাই? আমরা সব খাই! আমরা কচু খাই, লতি খাই, শিম খাই, আলু খাই, পটল খাই, বেগুন খাই, ফুলকপি খাই, বাঁধাকপি খাই, লাউ খাই, কুমড়া খাই, হামলা খাই, মামলা খাই, আমরা কী না খাই? আমরা সব খাই! আমরা পিঠা খাই, মিষ্টান্ন খাই, খই খাই, লাড়ু খাই, পায়েস খাই, সন্দেশ খাই, মিষ্টি খাই, ছানা খাই, দানা খাই, দুধ খাই, দই খাই, নদী খাই, আমরা কী না খাই? আমরা সব খাই! আমরা মাঠা খাই, ঘোল খাই, মাখন খাই, পুরি খাই, সিঙ্গারা খাই, চটপটি খাই, ফুচকা খাই, হালিম খাই, গ্রিল খাই, কাবাব খাই, গোল খাই, দোল খাই, আমরা কী না খাই? আমরা সব খাই! আমরা বেদানা খাই, কমলা খাই, পেস্তা খাই, বড়ই খাই, চড়ুই খাই, তেল খাই, বেল খাই, ঝোল খাই, আম...

ব্যর্থ জীবন

ছবি
  ব্যর্থ জীবন কেন এই পৃথিবীতে এলাম? কার উদ্দেশ্যে এই আগমন? বেঁচে থাকবার অর্থ কি শুধুই নিঃশ্বাস নেওয়া আর মৃত্যুর অপেক্ষা করা? এত বছর কেটে গেলো— তবুও আজ নিজেকে জিজ্ঞেস করতে হয়, কি করলাম আমি এই জীবনে? না পেরেছি নিজের অস্তিত্বের অর্থ খুঁজে পেতে, না পেরেছি মানুষের জীবনে আলো জ্বালাতে। জন্মের পর থেকে কেবলই ছুটেছি। কখনো জীবিকার জন্য, কখনো প্রমাণের জন্য, কখনো আপনজনের ভালোবাসা পাবার আকুতি নিয়ে। তবুও যেন কোথাও পৌঁছাতে পারিনি। শুধু কষ্ট জমেছে বুকের খাঁচায়, শুধু ঋণ বেড়েছে জীবনের কাছে। স্মৃতির খাতায় যদি চোখ রাখি, দেখি সেখানে আছে অপূর্ণতা, অসফলতার দীর্ঘ ছায়া, আর আছে কিছু অনুতাপ— যা রাতে নিঃশব্দে কাঁদিয়ে তোলে। অহংকার করেছিলাম এই দেহ নিয়ে— চেহারা, সামান্য বিদ্যা, সামান্য কিছু সম্পদ। ভেবেছিলাম, এটাই বুঝি আমার অর্জন! কিন্তু মৃত্যু এসে বলে দেবে— "তোর কিছুই তোর নয়, সবই সময়ের ধার।" এই দেহ পুড়ে যাবে চিতার আগুনে, রেখে যাবে একমুঠো ছাই আর কিছু শোকবার্তা। কারও চোখে অশ্রু নাও আসতে পারে, কারও মুখে উচ্চ...

ব্যর্থ জীবনের গল্প

ছবি
  গল্প: ব্যর্থ জীবন বিকেলটা ছিল অদ্ভুত রকমের নীরব। সূর্যটা ছিল যেন একটু তাড়াহুড়োয়, নরম আলোটা ঘরের মেঝেতে হেলে পড়ছিল ধীরে ধীরে। সোহেল উদাস চোখে জানালার বাইরের দিকে তাকিয়ে ছিল। বাড়ির পাশের পুরনো আমগাছটার পাতার ফাঁকে ফাঁকে আলো এসে পড়ছে তার মুখে, আর তাতেই যেন বেদনার রংটা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছিল। ৬৩ বছর বয়স— এই জীবনে কী পেল সে? একটা চাকরি ছিল, তাও মাঝখানেই ছেড়ে দিতে হয়েছিল পারিবারিক চাপে। ব্যবসা শুরু করেছিল—হঠাৎ এক বন্ধু বিশ্বাসঘাতকতা করল। স্ত্রীকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিল, আজ সেই স্ত্রী-ই যেন প্রতিদিন মনে করিয়ে দেয়— সে ব্যর্থ। সোহেল ধীরে ধীরে উঠলো, চুপচাপ আয়নার সামনে দাঁড়ালো। চুলে পাক ধরেছে অনেক আগেই, চোখে কালি, মুখে গাঢ় ক্লান্তি। নিজেকে দেখে তার মনে হলো, “এই আমি কি সেই সোহেল, যে একদিন স্বপ্ন দেখত—জীবনের রং পাল্টে দেবে?” সে জানালার পাশে বসে গেল। পিঠে একটা পুরনো চাদর জড়িয়ে, এক কাপ কড়া লাল চা হাতে নিয়ে ভাবতে লাগলো— “কেন এসেছিলাম এই পৃথিবীতে?” “শুধু ব্যর্থতা দেখার জন্য?” স্মৃতিগুলো একে একে ভিড় করতে লাগল ...

খুঁজেছিলাম

ছবি
খুঁজেছিলাম সুখ খুঁজেছিলাম ভোরের শিশিরে, পাখির কূজনে, ফুলের মিষ্টি ঘ্রাণে— কিন্তু পাইনি শান্তি এক বিন্দুও হৃদয়পটে। পেয়েছি কেবল দুখীর দীর্ঘশ্বাস, পেয়েছি ক্লান্ত আত্মার কান্না নিঃসাড় রাতে। শান্তির মা’কে খুঁজেছিলাম উপবাসে, প্রার্থনায়, বসে ছিলাম ধ্যানস্থ নিস্তব্ধ বিকেলে— কিন্তু নেমে এলো কেবল অশান্তির ঝড়, আমার হৃদয়ের নিভৃত বাগানে। ভালোবাসা খুঁজেছি দুয়ারে-দুয়ারে, কিন্তু ফিরেছি কেবল শূন্যতার হাহাকারে। প্রেমের পিপাসা নিয়ে ঘুরেছি দ্বারে-দ্বারে, দেখেছি সেখানে অভিনয়ের বাজারে তামাশার ঝাড়ে। টাকা-পয়সা খুঁজেছি রাস্তায় রাস্তায়, পেয়েছি কেবল মরিচিকার ধুলো ছড়ায়। ধনসম্পদ খুঁজেছি মহল্লায় মহল্লায়, শেষে হাতে উঠেছে অদৃশ্য ফাঁসির দড়ি—নিভৃতে বালায়! মানুষ খুঁজেছি মানুষের মেলায়, তবু মনুষ্যত্ব পাইনি কোথাও, ছিল শুধু ছায়া! স্রষ্টাকে খুঁজেছি পাথরে, ধূপে, রীতিতে, তিনি ধরা দেননি—শুধু ছিলেন আমার হৃদয়ের গভীর সীমানায়! ✍️ লেখক পরিচিতি: নিতাই বাবু — একজন সাহিত্যনিবেদিত প্রাণ, সমাজসচেতন ও দার্শনিক কবি। তাঁর কবিতায় ফুটে ওঠে মানুষের বেদনা...

খুঁজি যারে

ছবি
“খুঁজি যারে” আমি খুঁজি যারে, পাই না যে তারে! খুঁজি ভোরের শিশিরে, সন্ধ্যার আঁধারে, ঝরে পড়া পাতায়, বাতাসের নাড়াচাড়ায়, সূর্যের দীপ্তিতে, চাঁদের নিঃশব্দ স্নেহে, পাই না, কোথাও পাই না—সে অদেখা প্রিয় মুখ। খুঁজি ঘরে-বাইরে, গ্রাম থেকে শহরে, নালার কাঁদায়, অথবা ঝিলের জলে, আঁকাবাঁকা পথ বেয়ে মেঠো রোদে হেঁটে, পথিকের মতো খুঁজি নিরন্তর—একই ছায়ার পিছে! মহল্লার অলি-গলিতে, হাট-ঘাট-বাজারে, পাথরে-খোদাই মূর্তিতে, প্রাচীন মন্দিরে, পুরনো পাণ্ডুলিপির পাতায়, গানের সুরে, ধূপধুনোর গন্ধে, মন্ত্রোচ্চারণে— কোথাও পাই না তারে। কেউ বলে — “আছে সে হিমালয়ে”, “পাহাড়ের গুহায় ধ্যানে রত সাধু তার পথ চিনে”, কেউ বলে “বিরাট শূন্যে”, কেউ বলে “ঈশ্বরের সিংহাসনে”! তবুও আমার হৃদয় খুঁজে ফেরে—একটা চেনা চিহ্নের তরে। আমি গেছি মথুরায়, বৃন্দাবনে, কাশী-পুষ্করে, খুঁজেছি গয়া-প্রয়াগে, গঙ্গার ঘাটে শতবার স্নানে, তীর্থে-তীর্থে শুধাই সবাইকে— "তুমি কি জানো তার ঠিকানা?" কেউ দেয় চুপচাপ হাসি, কেউ চেয়ে থাকে অন্তরীক্ষের ...

মেহনতি মানুষের জয় হোক

ছবি
মেহনতি মানুষের জয় হোক ✊ রাজা তলোয়ারে ঠেকিয়ে বলে, "এই যে নিত্য গোপাল! তুই কেন এমন কপাল! দিনরাত খাটিস, মাটি কাটিস— বল তো, কবে পাবি আরেকটা ভালো হাল?" নিত্য গোপাল হেসে জবাব দেয়, "রাজামশাই, আপনারও তো দরকার জয়! আমি না খাটলে, ফসল উঠবে কই? রাজ্য জয়ের পেছনে, লুকিয়ে আছে গরিবের ক্ষয়।" রাজা চোখ লাল করে গর্জে ওঠে, "তোদের রক্তে নয় মোর কপাল! আমি ভাগ্যবান, রাজার মতোই মোর চাল— তোদের মতো সাত কপাল না, আমার একটাই রাজকপাল!" নিত্য গোপাল মাথা নিচু করে বলে, "রাজা মশাই, ভাগ্য কারো এক, কারো দুই নয়, আছে শুধু সময়ের খেলা—একালের পরে আসে সেকাল! টাকার ঢেউয়ে সুখ আসে না, বুকের শান্তিতেই তো প্রকৃত কপাল!" রাজা হাসে, রঙ্গ করে— "বোকা গোপাল! সুখ তো আমার রাজপ্রাসাদে! তোর জীবনে কেবল হাহাকার, আর আমার প্রাসাদে সুখের পাহাড়!" নিত্য গোপাল এবার চোখ তুলে চায়— "রাজা মশাই, সুখ যার ভেতরে, সে-ই রাজা হয়! স্রষ্টা একদিন সবাইকে সমান করে দেয়— সেই দিন রাজাও ফকির হয়! তখনই বোঝা যাবে কার সত...