পোস্টগুলি

সাহিত্য লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কবিতা: সংজ্ঞা, প্রকারভেদ, ছন্দ, পঙক্তি, চরণ, অলংকার ও রূপকের ব্যাখ্যা

ছবি
  📜 কবিতা: সংজ্ঞা, প্রকারভেদ, ছন্দ, পঙক্তি, চরণ, অলংকার ও রূপক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাখা হলো কবিতা । শব্দের ছন্দোময় বিন্যাস, ভাবপ্রবণতা ও অলংকারের সাহায্যে কবিতা হৃদয়কে স্পর্শ করে। নিচে কবিতার মূল উপাদান ও সংজ্ঞাগুলো বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হলো: ✒️ কবিতার সংজ্ঞা: কবিতা হলো এক বিশেষ সাহিত্যিক রচনা, যেখানে ছন্দ, রূপক, অলংকার, কল্পনা ও আবেগ মিলিয়ে শব্দের সুষম বিন্যাসে সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশ পায়। সংজ্ঞা: কবিতা হলো ভাব, কল্পনা ও সৃজনশীল শব্দচয়নের মাধ্যমে গঠিত ছন্দময় সাহিত্য। 📚 কবিতা কত প্রকার? কবিতা প্রধানত দুই প্রকার: পদ্য কবিতা: নির্দিষ্ট ছন্দ ও অন্ত্যমিলযুক্ত কবিতা। গদ্য কবিতা: ছন্দ ও অন্ত্যমিলবিহীন, কিন্তু ভাব ও কল্পনায় পূর্ণ কবিতা। 📌 কবিতার পঙক্তি (Pongkti) পঙক্তি হলো কবিতার প্রতিটি লাইন বা বাক্য। এটি কবিতার মৌলিক একক। উদাহরণ: “ক্ষণে ক্ষণে তোমায় পড়ে মনে” ← এটি একটি পঙক্তি। 📌 কবিতার চরণ (Charan) চরণ হলো কবিতার স্তবকের উপভাগ বা অংশবিশেষ। সাধারণত দুই চরণে একটি স্তবক গঠিত হয়। উদাহরণ: “তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম” ← প্রথম চরণ “নব আনন্...

হৃদয়ে লেখা চিঠি

ছবি
  ✍️ গদ্য কবিতা: হৃদয়ে লেখা চিঠি লেখক: নিতাই বাবু বন্ধু, আজ আর কোনো খামে ভরে চিঠি পাঠাই না। ডাকপিয়নও আর কড়া নাড়ে না আমাদের দরজায়। তবু আমি লিখে চলি… মনে মনে… নিরবে। তুমি জানো না, প্রতিদিন আমি একটা চিঠি লিখি—তোমার নামেই। আমার হৃদয়ের ভেতরই এখন ডাকঘর, আমার নিঃশ্বাসগুলো যেন পোস্টমার্ক হয়ে যায়… আর প্রতিটি শব্দ—তোমাকে খুঁজে ফেরে। জানো, বহুদিন ধরে কেবলই মনে হয়, আমরা কেউ কারো কাছে নেই… অথচ একটানা পাশে আছি। কথা হয় না, চোখে চোখ রাখা হয় না, তবু আমি বুঝি—তুমি অনুভব করো। আর আমি… আমি তো বৃষ্টির ফোঁটায়, পাতার কাঁপনে, অচেনা কোনো গন্ধে তোমাকে খুঁজি। এই চিঠিটা ঠিক ‘ভালোবাসি’ বলা নয়। এটা হয়তো সেইসব না-বলা কথাগুলোর ব্যাখ্যা— যেগুলো আমরা সময়মতো বলতে পারিনি। হয়তো সময়ই দেয়নি! অথবা আমরাই সময়কে সাহস দিতে পারিনি! বন্ধু, এই চিঠি আমি লিখছি কেবল তোমার জন্য, যদি কোনোদিন হঠাৎ আমার খোঁজ না পাও, যদি একদিন জানতে পারো—আমি আর নেই, তাহলে এই লেখাগুলো ছুঁয়ে বুঝে নিও— আমি ছিলাম, আছি, আর চিরকাল থাকবো… তোমার চোখের কোণে জমে থাকা কান্নার ফোঁটার মতো। এই চিঠি হয়তো কোনো উত্তর চায় না। শুধু একটা অন...

কাল কত প্রকার ও কী কী

ছবি
  কাল কত প্রকার ও কী কী? অনেকেই প্রশ্ন করেন, কাল কত প্রকার ও কী কী? উত্তর হলো—অতীতকাল, বর্তমানকাল ও ভবিষ্যৎকাল। তাতে দেখা যায়, কাল তিন প্রকার। তা যে যা বলুক, আমি এই লেখায় অন্তত ২৪ প্রকার কালের নাম-সহ কালের বিশদ বিবরণও উল্লেখ করেছি। কারণ কেউ কেউ এই কালকে অন্যরকমও মনে করে থাকে। তবে হ্যাঁ, কালে কালে এই মানবজাতির অনেক উন্নতি সাধিত হয়েছে। যেমন: বনমানুষ থেকে এপর্যন্ত মানুষ এখন সভ্য জগতে পদার্পণ করেছে। সেইসাথে সেসময় থেকে এসময় পর্যন্ত পৃথিবীর অনেক কিছুই বদলে গেছে। তাই আবারও উল্লেখ করেছি, কাল কিন্তু একটা সময়। তা হোক সুসময়, দুঃসময়। এই সময়ের কালগুলো হলো: ক্রিয়াকাল, আদিকাল, অনন্তকাল, মহাকাল, শিশুকাল, বাল্যকাল, যুবককাল, অকাল, বয়সকাল, চিরকাল, গতকাল, আগামীকাল, আজকাল, আধুনিককাল, সকাল, বিকাল, রাত্রিকাল, এযাবতকাল, একাল, সেকাল, কলিকাল, করোনাকাল, বৃদ্ধকাল, মরণকাল। এই সময়টা হতে পারে দীর্ঘ সময় বা অল্প সময়। যেমন: গানে আছে—“কতকাল দেখিনি তোমায়!” ... (সম্পূর্ণ বর্ণনা উপরের পাঠ্য অনুযায়ী সংরক্ষিত আছে) ২৪ প্রকার কালের সংক্ষিপ্ত তালিকা ও বর্ণনা: ক্রিয়াকাল : ক্রিয়ার ...

এই পৃথিবী আমার নয়

ছবি
এই পৃথিবী আমার নয় এই পৃথিবী আমার নয় — জন্মের পর থেকেই বুঝি এই আলো, এই রঙ, এই কোলাহল কোনো কিছুই তো আমার মতো নয়। আমার আকাশ নীল নয়, ধূসর আমার বাতাসে নেই বেলিফুলের গন্ধ, আমার ঘরে নেই শব্দের উল্লাস শুধু নীরবতা, ক্ষীণ শ্বাস। সবাই হাসে, আমি দেখি — হাসির আড়ালে জমে থাকা কান্না, সবাই বলে, "এ জীবন সুন্দর", আমি বলি, "সুন্দর কিন্তু কাদের জন্য?" ঘড়ির কাঁটা ঘোরে, আমার দিন রাত হয় — কিন্তু সময় কি কখনও আমার নাম রেখেছে নিজের কানে? এই পৃথিবী আমার নয় — তবু থেকেছি, কাগজে আঁকিনি বিদায়ের ছবি, তবু লিখেছি, নিঃশব্দের মাঝে একটি কবিতার দগদগে জীবনগাথা। — নিতাই বাবু 📘 লেখক পরিচিতি: নিতাই বাবু একজন সাহিত্যপ্রেমী, ব্লগার এবং কথাশিল্পী যিনি বাংলা ভাষার গভীরে ডুবে গিয়ে লিখে চলেছেন জীবনের কথা, সমাজের কথা। তাঁর কবিতায় উঠে আসে আত্মজিজ্ঞাসা, নিঃসঙ্গতা, শৈশবের ক্ষত এবং মানুষের অভ্যন্তরের অন্ধকার। তিনি bdnews24.com ব্লগের একজন পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক। 🔗 ফেসবুক: fa...