পোস্টগুলি

গ্রামবাংলা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

চিঠির দিনগুলি ও সেই ডাকপিয়ন

ছবি
  চিঠির দিনগুলি ও সেই ডাকপিয়ন চিঠির দিনগুলি ও সেই ডাকপিয়ন ✍️ নিতাই বাবু পুরনো সেই দিনের মতোন, একটা বাইসাইকেল, একটা খাকি জামা, ডান কাঁধে চিঠির বস্তা… আর দু’চোখে বহু খবরের ছায়া। সে আসতো রোদে-বৃষ্টিতে, ধানের মাঠ পেরিয়ে, মেঠো পথ ধরে। মা বলতো— “ডাকপিয়ন আসছে, দেখি চিঠি আছে কিনা!” আমরা দৌড়ে যেতাম উঠোনের ধারে। প্রেমিক লিখতো প্রেমিকার নাম, সন্তান পাঠাতো মায়ের খোঁজে কল্যাণবার্তা। ডাকপিয়নের ব্যাগে থাকতো কেউ কাঁদবে, আবার কেউ হাসবে— এমন শত শত কথা। ওর পায়ে ছিল না থেমে থাকার অভ্যাস, মেঘলা দুপুরেও সে থামেনি কখনো। কোনো খবর সুখের, কোনোটা মৃত্যুর, চোখের ভাষা বলতো সব বুঝতো সে– পাথরের মতো গম্ভীর, নরমও। আজ আর চিঠি আসে না, এসএমএস, ই-মেইল, হোয়াটসঅ্যাপের ভিড়ে হারিয়ে গেছে সে দিন। তবু মন চায়, সেই ডাকপিয়নের ঘন্টাধ্বনি শোনি একবার, যেখানে শব্দ নয়, হৃদয়ের ছোঁয়াই ছিল সেবার্তী চিন। নিতাই বাবু ...

স্মৃতির আল্পনা

ছবি
🌸 স্মৃতির আল্পনা কোথায় যে হারিয়ে গেলো সেই সোনালী দিন, ঝোলাবাতি গোল্লাছুট খেলা খেলে কেটে যেতো সারাদিন। বিকালে আমরা জড়ো হতাম ছোট একটা মাঠে, খেলা শেষে দৌড়ে যেতাম ঐ নদীর ঘাটে। সাঁতার কেটে পাড়ি দিতাম ঐ খরস্রোতা নদী, সাঁতরে যেতাম ভয়ভয় মনে কুমিরে ধরে যদি! কারোর হাতে যদি দেখতাম সেকালের ক্যামি ঘড়ি, অবাক চোখে তাকিয়েই থাকতাম ফিরতাম না বাড়ি! যদি দেখতাম কেউ-না-কেউ বাজাচ্ছে এফএম রেডিও, সারাদিন শুনতাম রেডিওর গান ক্ষুধায় মরতাম যদিও! বাবার সাথে বাজারে গিয়ে ধরতাম কতো বায়না, বাবুল বিস্কুট তক্তি বিস্কুট কেন কিনে দেয়না? অভাবী বাবা বিরক্তি মনে দিতেন পকেটে হাত, দিতেন মাত্র দশ পয়সা তাতেই হতো বাজিমাত! পাচ পয়সার বাবুল বিস্কুট পাচ পয়সার তক্তি, খুশিতে হাঁটতাম আর খেতাম করতাম বাবাকে ভক্তি! আর কি আসবে ফিরে সেই সোনালী দিনগুলো, জানি আসবেনা ফিরে সেদিন তবুও আঁকি স্মৃতিগুলো! – নিতাই বাবু নাগরিক সাংবাদিক, ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ০২/০৫/২০২৩ ইং। ছবি নিজের তোলা, এলাকার সোনা মিয়া। 📤 শেয়ার করুন: Facebook | Twitter | WhatsApp | Email