পোস্টগুলি

আগস্ট ২০, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মহিলাদের স্তন ক্যান্সার: লক্ষণ, প্রতিকার ও চিকিৎসা

ছবি
  মহিলাদের স্তন ক্যান্সার: কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার ও চিকিৎসা স্তন ক্যান্সার মহিলাদের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ ক্যান্সারের মধ্যে একটি। সঠিক তথ্য, প্রাথমিক শনাক্তকরণ এবং নিয়মিত চেকআপের মাধ্যমে ঝুঁকি কমানো সম্ভব। ১. কারণ হরমোনজনিত পরিবর্তন: অনিয়মিত মাসিক, ওভারয়েট বা হরমোন থেরাপি দীর্ঘকাল। বংশগত কারণ: পরিবারের কারো আগে স্তন ক্যান্সার হলে ঝুঁকি বেশি। বয়স: ৪০ বছরের পর ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। অস্বাস্থ্যকর জীবনধারা: অতিরিক্ত মদ্যপান, ধূমপান, স্থূলতা। অপর্যাপ্ত শারীরিক কার্যক্রম: নিয়মিত ব্যায়াম বা সক্রিয় জীবনধারার অভাব। ২. লক্ষণ স্তনে গুটির মতো কিছু দেখা বা স্পর্শ করলে শক্তিলাগা। স্তনের আকার বা আকৃতিতে পরিবর্তন। স্তনের ত্বক লাল বা গিঁট বাঁধা মত দেখা। স্তন বা অন্তর্বর্তী অংশে পিন বা তরল নির্গমন। স্তনের নিপল বা আরোহনের ত্বক ঢিলা বা উল্টে যাওয়া। কাঁধ বা ঘাড়ের লিম্ফ নোডে ফোলা। ৩. প্রতিকার ও চিকিৎসা প্রাথমিকভাবে সেলফ-চেক এবং নিয়মিত স্ক্রিনিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিত্সা কর...

মহিলাদের জরায়ু ক্যান্সার: কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার ও চিকিৎসা

ছবি
  মহিলাদের জরায়ু ক্যান্সার: কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার ও চিকিৎসা মহিলাদের জরায়ু ক্যান্সার: কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার ও চিকিৎসা ১. জরায়ু ক্যান্সার কী? জরায়ু ক্যান্সার হলো মহিলাদের জরায়ুর অভ্যন্তরীণ স্তরের কোষগুলোর অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি। সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সার । এটি সাধারণত মেনোপজ (Menopause) এর পর মহিলাদের মধ্যে বেশি হয়, তবে তরুণদের মধ্যেও হতে পারে। ২. কারণ (Causes / Risk Factors) হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: ইস্ট্রোজেন হরমোন বেশি থাকা এবং প্রোজেস্টেরন কম থাকা। বয়স: ৫০ বছরের পর মহিলাদের মধ্যে ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। ওবেসিটি / স্থূলতা: অতিরিক্ত ফ্যাট কোষে ইস্ট্রোজেন উৎপাদিত হওয়ায় ঝুঁকি বাড়ে। ডায়াবেটিস ও হাই ব্লাড প্রেসার: দীর্ঘস্থায়ী রোগ ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। পরিবারে ক্যান্সারের ইতিহাস: যেমন ব্রেস্ট বা ওভারি ক্যান্সার। হরমোন চিকিৎসা: যেমন লং-টার্ম হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি (HRT)। ৩. লক্ষণ (Symptoms) জরায়ু ক্যান্সার শুরুতে অনেক সময...

শিশুদের নিউমোনিয়া: কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার

ছবি
  শিশুদের নিউমোনিয়া: কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার শিশুদের নিউমোনিয়া: কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের এক ধরনের সংক্রমণ, যা শিশুদের জন্য মারাত্মক হতে পারে। বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশে প্রতি বছর অনেক শিশু নিউমোনিয়ার কারণে আক্রান্ত হয়। সময়মতো চিকিৎসা না পেলে এটি প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। তাই অভিভাবকদের জন্য নিউমোনিয়ার কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। নিউমোনিয়া কী? নিউমোনিয়া হলো এমন একটি শ্বাসতন্ত্রের রোগ, যেখানে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ফাঙ্গাস ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায়। সংক্রমণের ফলে ফুসফুসে প্রদাহ হয় এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হওয়ায় তারা দ্রুত আক্রান্ত হয়। শিশুদের নিউমোনিয়ার প্রধান কারণ শিশুদের নিউমোনিয়া হওয়ার বিভিন্ন কারণ রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান হলো: ❖ ভাইরাস (যেমন ইনফ্লুয়েঞ্জা, RSV) ❖ ব্যাকটেরিয়া (যেমন স্ট্রেপ্টোকক্কাস নিউমোনিয়া) ❖ অপুষ্টি ও ভিটামিনের অভাব ❖ দূষিত পরিবেশে থাকা বা ধূমপানের ধোঁয়ায় শ্বাস নেওয়া ❖ ঠান্ডা-ভেজা আবহ...

মহিলাদের ঋতুস্রাব কত বছর পর্যন্ত নিয়মিত থাকে? বয়সভিত্তিক ধাপ, পরিবর্তন ও করণীয়

ছবি
  মহিলাদের ঋতুস্রাব কত বছর পর্যন্ত নিয়মিত থাকে? — বয়সভিত্তিক ধাপ, পরিবর্তন, করণীয় সাধারণত মেয়েদের ঋতুস্রাব শুরু হয় ৯–১৬ বছর বয়সে (গড়: ১২–১৩). প্রথম ২–৩ বছর অনিয়ম স্বাভাবিক। কৈশোর পেরিয়ে প্রজনন বয়স (প্রায় ১৮–৪০/45 বছর) —এ চক্র তুলনামূলক নিয়মিত থাকে (সাধারণত প্রতি ২১–৩৫ দিনে একবার, রক্তস্রাব ২–৭ দিন )। পেরিমেনোপজ (প্রায় ৪০–৪৫+ থেকে) পর্যায়ে ধীরে ধীরে অনিয়ম বাড়ে এবং মেনোপজ সাধারণত ৪৫–৫৫ বছরের মধ্যে (গড় ৫০–৫১) স্থায়ী হয়—এর পর ১২ মাস মাসিক না হলে মেনোপজ ধরা হয়। বয়সভিত্তিক ধাপ ও কী কী স্বাভাবিক মেনার্ক (প্রথম ঋতুস্রাব): ৯–১৬ বছর প্রথম ২–৩ বছরে ডিম্বস্ফোটন ঠিকমতো না হওয়ায় চক্র অনিয়মিত/বেশি-কম হতে পারে— এটি স্বাভাবিক । প্রজনন বয়স: আনুমানিক ১৮–৪০/৪৫ বছর চক্র অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিয়মিত (২১–৩৫ দিন)। ব্যথা/রক্তস্রাবের মাত্রা ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন। পেরিমেনোপজ: প্রায় ৪০/৪৫–মেনোপজের আগ পর্যন্ত চক্রের ব্যবধান ছোট-বড় হওয়া, হট ফ্ল্যাশ, ঘুমের সমস্যা, মুড পরিবর্তন...

মহিলাদের অনিয়মিত সাদা স্রাব: কারণ, করণীয় ও প্রতিকার

ছবি
  অনিয়মিত সাদা স্রাব (লিউকোরিয়া) — কারণ, পরীক্ষা, করণীয় ও প্রতিকার অনিয়মিত সাদা স্রাব (লিউকোরিয়া): কারণ, পরীক্ষা, করণীয় ও প্রতিকার লিখেছেন: আপনার ব্লগ নাম • হালনাগাদ: ২০২৫ যোনি থেকে সাদা বা দুধসনের মতো স্রাব (leukorrhea) অনেক সময় স্বাভাবিক—মহিলাদের স্বাভাবিক ফ্লোরা ও হরমোনের ফলেই এটি ঘটে। কিন্তু স্রাব যদি হঠাৎ রঙ, গন্ধ বা পরিমাণে বদলে যায় বা সঙ্গে চুলকানি, জ্বালা বা ব্যথা থাকে—তবে এটি সংক্রমণ বা অন্য কোনো সমস্যা নির্দেশ করতে পারে এবং গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। 0 ১) কী স্বাভাবিক — কী অস্বাভাবিক? স্বাভাবিক: পাতলা, স্বচ্ছ বা হালকা সাদা; গন্ধহীন; পরিমাণ চক্রভেদে পরিবর্তিত হয় (বরাবর বেশি বা কম)। গর্ভাবস্থায় স্রাব বেড়ে যেতে পারে—এটিও স্বাভাবিক হিসেবে ধরা হয়। 1 অস্বাভাবিক/চিন্তার লক্ষণ: গাঢ় হলুদ, সবুজ বা ধূসর রঙ; দুর্গন্ধযুক্ত (মাছি-মাছি গন্ধ); চর্মে জ্বালা বা লালত্ব; প্রস্রাবের সময় জ্বালা; অনবরত বা ব্যথাসহ স্রাব। দেখা মাত্রই চিকিৎসকের কাছে যাওয়াই বাঞ্ছনীয়। 2 ২) প্রধান কারণগুলো (সংক্ষেপে) ...

মহিলাদের অনিয়মিত সাদা স্রাব: কারণ

ছবি
  অনিয়মিত সাদা স্রাব (লিউকোরিয়া) — কারণ, পরীক্ষা, করণীয় ও প্রতিকার অনিয়মিত সাদা স্রাব (লিউকোরিয়া): কারণ, পরীক্ষা, করণীয় ও প্রতিকার লিখেছেন: আপনার ব্লগ নাম • হালনাগাদ: ২০২৫ যোনি থেকে সাদা বা দুধসনের মতো স্রাব (leukorrhea) অনেক সময় স্বাভাবিক—মহিলাদের স্বাভাবিক ফ্লোরা ও হরমোনের ফলেই এটি ঘটে। কিন্তু স্রাব যদি হঠাৎ রঙ, গন্ধ বা পরিমাণে বদলে যায় বা সঙ্গে চুলকানি, জ্বালা বা ব্যথা থাকে—তবে এটি সংক্রমণ বা অন্য কোনো সমস্যা নির্দেশ করতে পারে এবং গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। 0 ১) কী স্বাভাবিক — কী অস্বাভাবিক? স্বাভাবিক: পাতলা, স্বচ্ছ বা হালকা সাদা; গন্ধহীন; পরিমাণ চক্রভেদে পরিবর্তিত হয় (বরাবর বেশি বা কম)। গর্ভাবস্থায় স্রাব বেড়ে যেতে পারে—এটিও স্বাভাবিক হিসেবে ধরা হয়। 1 অস্বাভাবিক/চিন্তার লক্ষণ: গাঢ় হলুদ, সবুজ বা ধূসর রঙ; দুর্গন্ধযুক্ত (মাছি-মাছি গন্ধ); চর্মে জ্বালা বা লালত্ব; প্রস্রাবের সময় জ্বালা; অনবরত বা ব্যথাসহ স্রাব। দেখা মাত্রই চিকিৎসকের কাছে যাওয়াই বাঞ্ছনীয়। 2 ২) প্রধান কারণগুলো (সংক্ষেপে) ...

প্রসব ব্যথায় করণীয় ও প্রতিকার – কারণ, যত্ন ও চিকিৎসা

ছবি
  প্রসব ব্যথায় করণীয় ও প্রতিকার — বিস্তারিত গাইড প্রসব ব্যথায় করণীয় ও প্রতিকার — একটি বিস্তৃত গাইড গর্ভবতী নারীর নিরাপত্তা ও আরামের জন্য ঘরোয়া ও চিকিৎসাসম্মত পরামর্শের সংমিশ্রণ প্রসব ব্যথা (labor pain) গর্ভাবস্থার শেষে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। তবে ব্যথার তীব্রতা, নিরবচ্ছিন্নতা এবং সংযুক্ত উপসর্গ—এসব দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন কখন ঘরে আরাম দেওয়া যায় এবং কখন অবিলম্বে হাসপাতাল/ডাক্তারকে দেখা দরকার। নিচে কারণ, করণীয়, ঘরোয়া প্রতিকার ও চিকিৎসাসম্বন্ধীয় নির্দেশ দেওয়া আছে—সবসময় আপনার প্রসূতি নার্স বা ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন। প্রসব ব্যথা: সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য প্রসব ব্যথা হলো গর্ভাশয়ের সংকোচন (contraction)–এর ফলে উদ্ভূত তীক্ষ্ণ–দ্রাঘিম (cramp-like) ব্যথা। প্রথম সময় ব্যথা মাঝে মাঝে আসে; আস্তে আস্তে তা নিয়মিত, দীর্ঘ এবং তীক্ষ্ণ হয়ে যায়। সাধারণত প্রসবের তিনটি প্রধান ধাপ—প্রাথমিকভাবে গর্ভমুখ খোলা (dilatation), প্রসবযন্ত্রিক দে 즉'enfant birth, এবং আটকানো প্লেস f দেন—এর সঙ্গে ব্যথার প্রকৃতি আলাদা হয়। কীভাবে চিনবেন—এটা ...