পোস্টগুলি

শিক্ষা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার উপসংহার ও চূড়ান্ত শিক্ষা — পর্ব ২৫

ছবি
  📖 শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা — পর্ব ২৫ (শেষ পর্ব) প্রিয় পাঠক, এটি শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার শেষ পর্ব। আগের সব পর্বে আমরা জীবনের নৈতিকতা, কৃতিত্ব, ভক্তি, ধ্যান ও আধ্যাত্মিক শিক্ষার দিকগুলো পর্যায়ক্রমে আলোচনা করেছি। এই শেষ পর্বে আমরা গীতার সারমর্ম এবং চূড়ান্ত শিক্ষা নিয়ে বিস্তারিতভাবে মনন করব। এখানে কৃষ্ণের উপদেশের মূল উদ্দেশ্য হলো—মানুষ যেন তার কর্তব্যের প্রতি সত্য, ভয়হীন এবং নির্বিকার থাকে, একই সঙ্গে আত্মার চিরন্তন প্রকৃতি উপলব্ধি করে নিজের জীবনে পূর্ণতা লাভ করে। শেষ পর্বে আমরা দেখতে পাই, কৃষ্ণ আর্জুনকে জানাচ্ছেন যে, জীবনের সমস্ত কর্মকাণ্ডে নিয়ম, ধৈর্য, নিয়ন্ত্রণ ও ধ্যান অপরিহার্য। মানুষ তার দায়িত্ব পালন করুক, ফলাফল নিয়ে অতি চিন্তা না করুক, বরং সবকিছুকে ঈশ্বরের ইচ্ছার ওপর ছেড়ে দিয়ে স্থিতপ্রজ্ঞা অর্জন করুক। এটি গীতার মূল শিক্ষা: কেবল নিজের কর্তব্য পালন করা যথেষ্ট নয়, অন্তর্দৃষ্টি ও আত্ম-জ্ঞান অর্জন করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই পর্বে কৃষ্ণ আরও বলেন যে, সমস্ত জীবের মধ্যে ঈশ্বরের অস্তিত্ব সমানভাবে বিদ্যমান। যে ব্যক্তি ঈশ্বরের প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস র...

বার্ষিক পরীক্ষায় সফল হওয়ার কার্যকরী কৌশল

ছবি
  যেকোন বার্ষিক পরীক্ষা দেয়ার কৌশল — পূর্ণাঙ্গ এবং প্রয়োগযোগ্য সময় ব্যবস্থাপনা, কার্যকরী অধ্যয়ন পদ্ধতি, মক-টেস্ট কৌশল ও পরীক্ষার হলে আচরণ — ধাপে ধাপে বিস্তারিত ব্যাখ্যা। পরবর্তী ৬০ সেকেন্ডে যা জানতে হবে বার্ষিক পরীক্ষা সফল করতে প্রয়োজন: পরিকল্পনা, নিয়মিত অনুশীলন, এবং মানসিক/শারীরিক যত্ন। নিচের নির্দেশনাগুলো ধাপে ধাপে অনুসরণ করলে যেকোনো পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি সহজ হবে। ১) পরিকল্পনা ও লক্ষ্য নির্ধারণ ভাল পরিকল্পনা সাফল্যের অর্ধেক — শুরুতেই সিলেবাস বিশ্লেষণ করুন, নম্বর-ভিত্তিক গুরুত্ব ঠিক করুন এবং রিয়ালিস্টিক টাইমটেবিল তৈরি করুন। সিলেবাস ম্যাপ তৈরি: প্রতিটি ইউনিট-এ কত নম্বর সেটা দেখুন এবং প্রাধান্য দিন। বছরের লক্ষ্য ভাঙুন: মাস-সাপ্তাহিক-দৈনিক লক্ষ্য লিখুন (SMART: নির্দিষ্ট, পরিমাপযোগ্য)। ডেইলি টু-ডু: ছোট ছোট চালাকি— ৩০–৬০ মিনিট ব্লক করে কাজ করুন। ২) সময় ব্যবস্থাপনা — কার্যকর ট্যাকটিক সময় ব্লকিং এবং গুরুত্বভিত্তিক পড়ালেখাই প্রধান। নীচ...

শ্মশানের নীরবতা: অহংকারের ছাইচাপা শিক্ষা

ছবি
  🪔 শ্মশানের নীরবতা: অহংকারের ছাইচাপা শিক্ষা একদিন গুরু বলেছিলেন— "যখন সময় পাবি, শ্মশানে আছিস— দেখবি কত অহংকার পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে।" সে উপদেশ আজও কানে বাজে। সত্যিই তো! এই দুনিয়ার সব চাহিদা, লোভ, ক্রোধ, হিংসা, দম্ভ— সবই তো এক মুঠো ছাইয়ে শেষ হয়ে যায়। সেখানে নেই কোনো জাত-বর্ণের পার্থক্য, নেই ধনী-গরিবের ভেদাভেদ। চিতা যখন জ্বলে ওঠে, তখন সকলের দেহই একইভাবে পুড়ে ছাই হয়। সেই ছাইভস্ম বাতাসে উড়ে চলে যায়, যেখানে আর কেউ ফিরে তাকায় না। জীবনের এই নির্মম সত্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলে, অন্তরের অন্ধকারে আলোর রেখা পড়ে। তখন নিজেকে প্রশ্ন করতে হয়— “আমি কি পারছি অহংকার পরিহার করতে? পারছি কি লোভ, লালসা, হিংসা, পরনিন্দার জাল ছিঁড়ে বের হতে?” শ্মশান আমাদের শেখায়— জীবন ক্ষণিক, মৃত্যু নিশ্চিত। অথচ সেই চিরসত্যকে ভুলে আমরা প্রতিদিন যে দম্ভে, যে বিভ্রান্তিতে জীবন পার করি, তার শেষ পরিণতিই তো সেই নীরব শ্মশান। যেখানে কেউ কিছু বলতে আসে না, কেউ কিছু নিতে পারে না। আজ বেঁচে আছি— কাল কে জানে কোথায় থাকব! সময় থাকতে তাই নিজেকে শুধরে...

মাননীয়া শিক্ষামন্ত্রী ভর্তি বাণিজ্য রোধ করুন

ছবি
     ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ, লেখা নিজের।  মাননীয়া শিক্ষামন্ত্রী, আমার হাতেখড়ি একটুকরো কলাপাতা আর বাঁশের কঞ্চির কলমে। লেখাপড়াও শুরু হয়েছিল ১৯৬৮ সালে। তৃতীয় শ্রেণিতে থাকতেই ১৯৭১ এ শুরু হয় আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম। স্কুলে প্রথম ভর্তি হয়েছি নামমাত্র ভর্তি ফি দিয়ে। তখন এই বঙ্গদেশে এক টাকার যেই মূল্য ছিল, বর্তমানে ১০০০ টাকারও সেই মূল্য নেই। বাল্যশিক্ষা একখানা বই নিয়ে স্কুলে যেতাম। তখনকার সময়ে এই বঙ্গদেশে যতো মাথাওয়ালা জ্ঞানীগুণীজন ছিল তারা সবাই আমার মতন এই বাল্যশিক্ষা বই পড়েই জ্ঞানীগুণী হয়েছিল। আমার মনেহয় এই বাল্যশিক্ষা বইখানা ছিলো রামসুন্দর বসাক প্রণীত বাল্যশিক্ষা। তখনকার সময়ে সব বাঙালিদের বাড়িতে শিশুদের পড়ার জন্য এই বাল্যশিক্ষা বইখানা থাকতই। এরপর স্বরবর্ণ-ব্যঞ্জনবর্ণ শিক্ষার জন্য নতুন রূপে প্রকাশ হয় সীতানাথ বসাকের আদর্শলিপি বইখানা।     রামসুন্দর বসাক প্রণীত 'বাল্যশিক্ষা'। বইয়ের ছবি           ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা। সবারই হয়তো মনে আছে, আগেকার সময়ের স্কুল জীবনের কথা। তখনকার সময়ে ক্লাস ওয়ানে একবার ভর্...

আগেকার হাতেখড়ি এখন শিশুর কাঁধে স্কুলব্যাগ

ছবি
শিশুদের জন্য “ হাতেখড়ি ” উৎসব আগে গ্রাম শহরের সবখানে প্রচলিত থাকলেও, বর্তমানে এর বিন্দুবিসর্গ বলতে নেই বা কারোর চোখেও পড়ে না। আক্ষরিক অর্থে হাতেখড়ি হচ্ছে, লেখাপড়ার সাথে শিশুর প্রথম পরিচয়। শিশু জন্মের তিন থেকে চারবছরের মাথায় এই উৎসবটি পালন করা হতো। তা বেশি প্রচলন দেখা যেত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে। জন্মের পর থেকে জীবনে যতোগুলো উৎসব পালন করা হয়, তারমধ্যে হাতেখড়ি শিশুদের জন্য খুবই একটা গুরুত্বপূর্ণ উৎসব ছিল। হাতেখড়ি অর্থ হলো, শিক্ষার সূচনা বা শিক্ষার শুরু। এই উৎসবটি পালন করা হতো, সরস্বতী পূজা উপলক্ষে, নাহয় সরস্বতী পূজার পরপর এক সপ্তাহের মধ্যে শনিবার বাদে যেকোনো দিন। অনেকে এই বিশেষ উৎসবটি সরস্বতী পূজার দিনই করে ফেলতো। কেননা, সরস্বতী পূজা মানেই বিদ্যাদেবীর পূজা। তাই ওইদিন পুরোহিত সরস্বতী পূজা সম্পাদন করা শেষে, এই হাতেখড়ি উৎসবটির কাজ সম্পন্ন করতো।                ছ বি ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ ।  যেসব অভিভাবকগণ তাঁদের শিশুকে হাতেখড়ি দিতে ইচ্ছুক থাকতো, সেসব শিশুদের হাতেখড়ি দেওয়ার কাজটি পূজামণ্ডপেই করে ফেলা হতো। যেসব শিশু ...