পোস্টগুলি

কবিতা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কবিতা: সংজ্ঞা, প্রকারভেদ, ছন্দ, পঙক্তি, চরণ, অলংকার ও রূপকের ব্যাখ্যা

ছবি
  📜 কবিতা: সংজ্ঞা, প্রকারভেদ, ছন্দ, পঙক্তি, চরণ, অলংকার ও রূপক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাখা হলো কবিতা । শব্দের ছন্দোময় বিন্যাস, ভাবপ্রবণতা ও অলংকারের সাহায্যে কবিতা হৃদয়কে স্পর্শ করে। নিচে কবিতার মূল উপাদান ও সংজ্ঞাগুলো বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হলো: ✒️ কবিতার সংজ্ঞা: কবিতা হলো এক বিশেষ সাহিত্যিক রচনা, যেখানে ছন্দ, রূপক, অলংকার, কল্পনা ও আবেগ মিলিয়ে শব্দের সুষম বিন্যাসে সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশ পায়। সংজ্ঞা: কবিতা হলো ভাব, কল্পনা ও সৃজনশীল শব্দচয়নের মাধ্যমে গঠিত ছন্দময় সাহিত্য। 📚 কবিতা কত প্রকার? কবিতা প্রধানত দুই প্রকার: পদ্য কবিতা: নির্দিষ্ট ছন্দ ও অন্ত্যমিলযুক্ত কবিতা। গদ্য কবিতা: ছন্দ ও অন্ত্যমিলবিহীন, কিন্তু ভাব ও কল্পনায় পূর্ণ কবিতা। 📌 কবিতার পঙক্তি (Pongkti) পঙক্তি হলো কবিতার প্রতিটি লাইন বা বাক্য। এটি কবিতার মৌলিক একক। উদাহরণ: “ক্ষণে ক্ষণে তোমায় পড়ে মনে” ← এটি একটি পঙক্তি। 📌 কবিতার চরণ (Charan) চরণ হলো কবিতার স্তবকের উপভাগ বা অংশবিশেষ। সাধারণত দুই চরণে একটি স্তবক গঠিত হয়। উদাহরণ: “তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম” ← প্রথম চরণ “নব আনন্...

স্বপ্নের ডানায়

ছবি
  🌌 স্বপ্নের ডানায় — নিতাই বাবু যখন ঘুমিয়ে পড়ি নিঃশব্দ রাতে, দেহ পড়ে থাকে চুপচাপ প্রহরপাতে। আমি উড়ে যাই— একা, নিঃশঙ্ক মনে, মহাকাশের মেঘের পাহাড় জোছনার বনে। ফেলে আসা পৃথিবীর শব্দহীন ঘর, দেহের খাঁচা ভুলে, ডানা মেলে পরপর। ওখানে নেই দুঃখ, নেই হিসেবের হিস্যা, শুধু এক পাখি আমি, নীহারিকা বিষ্টা। তারা তারা জ্বলে, জেগে থাকে আকাশ, চাঁদের কোলে নিই আমি প্রশান্তির আশ। স্বপ্নের ভিতর দেখি অন্য এক পথ, যেখানে নেই হিংসা, নেই স্বার্থলিপ্ত মোহ। জীবনের ব্যথা, ক্ষোভ, বেদনার ব্যাকুলতা, ওখানে সব সয়ে যায় এক মধুর নিস্তব্ধতা। কে আমি, কোথা থেকে এলাম— এসব ভুলে, উড়ি আমি নির্ভার, হৃদয়ের গহীনে ঢুকে। জানি না কতক্ষণ থাকি ঐ উড়ানে, ক্ষণিকের ঘোরে পাই আমি শান্তির টানে। তারপর হঠাৎ ভোর হয়, ভাঙে ঘুমের পর্দা, আবার ফিরি আমি দেহে— ভোরের ছায়া ধরে। তবু রয়ে যায় বুকের ভেতর একটা শিহরণ— একটুখানি আলো, যা বলে— "স্বপ্ন শুধু ঘুম নয়, এ জীবনেরও এক গোপন চলোচলা!" ...

চিঠির দিনগুলি ও সেই ডাকপিয়ন

ছবি
  চিঠির দিনগুলি ও সেই ডাকপিয়ন চিঠির দিনগুলি ও সেই ডাকপিয়ন ✍️ নিতাই বাবু পুরনো সেই দিনের মতোন, একটা বাইসাইকেল, একটা খাকি জামা, ডান কাঁধে চিঠির বস্তা… আর দু’চোখে বহু খবরের ছায়া। সে আসতো রোদে-বৃষ্টিতে, ধানের মাঠ পেরিয়ে, মেঠো পথ ধরে। মা বলতো— “ডাকপিয়ন আসছে, দেখি চিঠি আছে কিনা!” আমরা দৌড়ে যেতাম উঠোনের ধারে। প্রেমিক লিখতো প্রেমিকার নাম, সন্তান পাঠাতো মায়ের খোঁজে কল্যাণবার্তা। ডাকপিয়নের ব্যাগে থাকতো কেউ কাঁদবে, আবার কেউ হাসবে— এমন শত শত কথা। ওর পায়ে ছিল না থেমে থাকার অভ্যাস, মেঘলা দুপুরেও সে থামেনি কখনো। কোনো খবর সুখের, কোনোটা মৃত্যুর, চোখের ভাষা বলতো সব বুঝতো সে– পাথরের মতো গম্ভীর, নরমও। আজ আর চিঠি আসে না, এসএমএস, ই-মেইল, হোয়াটসঅ্যাপের ভিড়ে হারিয়ে গেছে সে দিন। তবু মন চায়, সেই ডাকপিয়নের ঘন্টাধ্বনি শোনি একবার, যেখানে শব্দ নয়, হৃদয়ের ছোঁয়াই ছিল সেবার্তী চিন। নিতাই বাবু ...

বিদায়ের আগে যা বলতে চাই

ছবি
  🌫️ বিদায়ের আগে যা বলতে চাই — একজন ক্ষণজন্মা পথিক আমি বুঝি… এই পৃথিবীতে আমার সময় ফুরিয়ে আসছে ধীরে ধীরে। বাতাসে আজ কেমন এক বিদায়ের গন্ধ, বুকের ভিতর দীর্ঘশ্বাস, সময়ের ভারে চুপচাপ। প্রভু পাঠিয়েছিলেন আশায়, মানুষের মাঝে মানবতা ছড়াতে, ভালোবাসা দিতে, আঁধারে আলো জ্বালাতে। কিন্তু পারিনি সে পথে পুরোপুরি চলতে— থেমেছি মাঝে মাঝে, হে মহান স্রষ্টা, তোমার কাছে আজ তাই নিঃশব্দ ক্ষমা প্রার্থনা। আমি বলতে চাই— বন্ধুরা, সহযাত্রীরা, যারা পাশে ছিলেন নীরব ছায়ার মতো, তোমাদের ভালোবাসি, আজীবনের মতো। যদি কোনো দিন ভুলে কষ্ট দিয়ে থাকি, মাফ করে দিও—এই হৃদয়ের খোলা চিঠি পাঠ করে। আমি তো নিভে আসা প্রদীপ, তবু চাই, একটুখানি আলো তোমার কোনো অন্ধকার ঘরে পৌঁছাক। জীবন আমাকে শিখিয়েছে— প্রার্থনার চেয়ে ক্ষমা বড়, ঐশ্বর্যের চেয়ে করুণাই মহৎ, আর ভালোবাসার চেয়ে পবিত্র কিছু নেই। তাই… শেষ ক’টি দিনে আমি শুধু চাই বলতে, ভালোবাসুন মানুষকে— তার মতভেদ, বিশ্বাস, ব্যর্থতা নিয়েই। ক্ষমা করুন—ভুলগুলো হোক হৃদয়ের ঘামে ধুয়ে যাওয়া। ধরুন হাত—কারণ একা একা কেউই পারবে না বাঁচতে। আর যদি এই লেখাটুকু পড়েন— জা...

শ্মশানের জীবন্ত

ছবি
  🖤 কবিতা: শ্মশানের জীবন্ত শ্মশানের জীবন্ত জীবিত, অথচ মৃতের বেশে — ভয়ানক এক অভিনয়! প্রাণের ভেতর প্রাণহীন দেশ, হৃদয়ে নীরব মৃত্যুর জয়। শেষকৃত্যের গন্ধ বাতাসে, চেতনায় অন্ত্যেষ্টির গান, জাগ্রত এক সমাধি দেহে, জীবন-মরণ একাকার জান। আত্মার শবযাত্রা চলে নীরবে, প্রহর গুনে বিষণ্ন দিন, ছায়ার মতো হেঁটে চলে, নিঃশব্দ শোকের এক কঠিন কিনারায়। আলো হারায় অন্ধকারে, নিভে যায় প্রাণের দীপ, আশার প্রদীপ চূর্ণ হয়ে পড়ে, অন্তরে বিষণ্ন রূপ। তবুও বেঁচে থাকা এক অভিশাপ— যেন শ্মশানের জীবন্ত ছায়া, জীবনেরই অন্তিম চাপ। নিতাই বাবু পুরস্কারপ্রাপ্ত নাগরিক সাংবাদিক — ২০১৭ সাহিত্য, সমাজ এবং সৃজনশীলতায় তাঁর পদচারণা ব্যাপক। নিয়মিত লেখেন ব্লগ, কবিতা ও সমাজ ভাবনার নানা বিষয়ে।

দুঃখের ছায়া

ছবি
  🖤 দুঃখের ছায়া নীরব রাতের কান্না শুনি, চাঁদের আলোয় ভেজে ধূনি। হৃদয় জুড়ে জমে ব্যথা, কেউ বোঝে না, রাখে না কথা। ভাঙা স্বপ্ন কাঁচের মতো, পায়ে লাগে, রক্ত ঝরতো। হাসির আড়াল বিষাদ ভরা, জীবন যেন নিঃশ্বাস ধরা। বন্ধ জানালায় চেয়ে থাকি, আলো আসে, ছুঁয়ে না মাখি। স্মৃতিরা আসে, বসে পাশে, বলে, “তুমি একা নও আশে।” ছোট্ট কিছু কথা, হারানো গান, ভেসে আসে দূর অতীতের প্রাণ। একটি চিঠি, একটি ছবি, ভালোবাসা ছিল, আজ শুধু রবি। মায়ের মুখ, বাবার ছায়া, বন্ধুর হাসি, প্রেমের মায়া। সবই যেন স্বপ্নের মতো, জেগে উঠি, নেই কেউ ততো। দুঃখ আমার সাথী হয়ে, চলে দিন, রাতের ছোঁয়ায়। সে-ই জানে, কতটা কাঁদি, সে-ই বোঝে, কতটা ভাঙি। তবু আশার আলো জ্বলে, একটি নাম, একটি ছলে। ভবিষ্যতের একটুখানি রঙ, দুঃখের মাঝে স্বপ্নের ঢঙ। আমি লিখি, আমি গাই, ব্যথার মাঝে শান্তি পাই। দুঃখ যদি বন্ধু হয়, তবে সে-ই তো হৃদয়ের জয়। ✍️ লেখক পরিচিতি: নিতাই বাবু পুরস্কারপ্রাপ্ত নাগরিক সাংবাদিক — ২০১৭ ব্লগ ডট বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম 📚 আরও পড়ুন: 👉 জীবনের ঘটনা | নিতাই বাবু ব্লগ | ...

কেউ এগিয়ে এলো না!

ছবি
  "একটা মানুষও এগিয়ে এলো না!" নিহতের স্ত্রী কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন— “এতো মানুষ মিলে একটা মানুষকে মারলো, একটা মানুষও এগিয়ে এলো না…” তার কণ্ঠে কান্না ছিলো, কিন্তু তার কথায় ছিলো এক ভয়ংকর প্রশ্নের দহন। তাঁর স্বামীকে প্রকাশ্যে পাথর দিয়ে হত্যা করা হলো, আর চারপাশে শত শত মানুষ দাঁড়িয়ে থাকলো— তাকিয়ে থাকলো। কেউ কিছু বললো না, কেউ হাত বাড়ালো না। কেউ প্রতিবাদ করলো না। কেউ সাহস দেখালো না। এখন প্রশ্ন জাগে… এই দেশের মানুষ কী তবে খুনিদের মৌন সমর্থক? নাকি সবাই শুধু নীরব দর্শক? নির্বাক দাঁড়িয়ে থাকা কি সত্যের পাশে না দাঁড়ানোর অন্য নাম নয়? ভয়ের কাছে আত্মসমর্পণ কি খুনের অনুমোদন নয়? একটি সমাজের ভয়, নির্বাকতা, আর আত্মকেন্দ্রিকতা যখন অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকে থামিয়ে দেয়, তখন অপরাধীরা সাহস পায়—আর নিরীহরা প্রাণ হারায়। এই ঘটনায় শুধু একজন মানুষ মারা যায়নি, আসলে আহত হয়েছে আমাদের মানবতা। মারা গেছে নৈতিকতা। চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকা সেই শত শত মানুষ— তারা কি সত্যিই নিরাপদ? 🕯️ আমরা কি এক ভয়াবহ নির্লিপ্তির যুগে প্রবেশ করলাম, যেখানে ন্যায়বোধ নেই, প্রতিবাদ নেই, শুধু আছে চোখ, কিন্তু নেই দৃষ্টি...

আনন্দ থাকবে, আমি থাকবো না

ছবি
  ✍️ ভূমিকা: জীবন বড়ই ক্ষণস্থায়ী। আমরা এই পৃথিবীতে এসেছি, থাকি কিছুদিন, আবার হারিয়ে যাই এক নিরব অনন্তের দিকে। অথচ জীবন চলতেই থাকে—সূর্য ওঠে, পাখি গান গায়, ফুল ফোটে, আর মানুষ নতুন স্বপ্নে পথ হাঁটে। তবু কোনো এক গভীর মুহূর্তে আমাদের মনে পড়ে যায়—এই পথেও তো কেউ হেঁটে গিয়েছিল একদিন। এই কবিতাটি সেই হারিয়ে যাওয়া, চলে যাওয়া, এবং থাকবার তীব্র ইচ্ছের এক মর্মস্পর্শী স্বীকারোক্তি। “আনন্দ থাকবে, আমি থাকবো না” —এই পংক্তিতে যেমন সময়ের সত্য উচ্চারিত হয়েছে, তেমনি রয়েছে ভালোবাসা, আত্মঅনুধ্যান ও বেঁচে থাকাকেই উপলক্ষ্য করে যাওয়ার এক তীব্র চেষ্টা। এটি শুধুই একটি কবিতা নয়, এটি এক নিরব আলাপন—জীবনের সাথে, মৃত্যুতে হারিয়ে যাওয়া সমস্ত মুখগুলোর সাথে। 🌌 আনন্দ থাকবে, আমি থাকবো না এই পৃথিবীর আনন্দ থাকবে সারাক্ষণ, আমি থাকবো না—জীবন থামবে কোন গোপনক্ষণ। নিঃশ্বাস হলো অবিশ্বাস, থেমে যাবে যবে, আনন্দ, গান, রং-তামাশা—সব মিলাবে ভবে। সূর্য উঠবে, পাখি গাইবে ভোরের নতুন গান, আমার খালি ঘরে আর ফিরবে না কারো টান। চায়ের কাপ থাকবে, রুমালও থাকবে...

আমার বলতে কিছুই নেই

ছবি
আমার বলতে কিছু নেই যতই বলি, “এটা আমার, ওটা আমার”— স্রষ্টা বলেন, “নির্জনে শোনো আমার বারংবার: তোমার কিছুই নয় সত্যিকার! তোমার এই শরীর, তোমার এই প্রাণ, আমারই সৃষ্টি, আমারই দান। শুধু তোমার কর্মের ফলই চিরকাল তোমার।” বাড়ি, গাড়ি, ধন-দৌলত, সবই রবে ধুলোয়, নিঃস্ব আর কোলাহলহীন মৌনতায়। তোমার ‘আমার’ বলার অধিকারে আমি তো দিইনি কোনো স্বীকৃতি কোনো দিন। তোমার ‘তুমি’ও একসময় বিলীন— শুধু কর্ম, শুধু ন্যায়ের দিন-রজনী, সেইটুকুই যাবে তোমার সাথে, বাকিটুকু পড়ে থাকবে নিঃস্পন্দ পৃথিবীতে। তাই বলি, আমার বলতে কিছুই নেই— সবই মহান স্রষ্টার, এই জীবন, এই দেহ, এই শেষ অবধি পথটাও, তাঁরই করুণায় দেয়া উপহার। ✍️ লেখক পরিচিতি: নিতাই বাবু — পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্লগার, সাহিত্যপ্রেমী ও সমাজচিন্তক। লেখালেখির মাধ্যমে সমাজ, দর্শন ও মানবিক মূল্যবোধের কথা তুলে ধরেন। 📘 ব্লগ: নিতাই বাবুর ব্লগ 📤 শেয়ার করুন: 🔵 Facebook 🔷 Twitter 🟢 WhatsApp পাঠকের প্রতিক্রিয়া লেখককে অনুপ্রাণিত করে। আপনার অনুভূতি নিচে মন্তব্যে জানাতে ভ...

আমি এদেশে সংখ্যালঘু

ছবি
আমি এদেশে সংখ্যালঘু আমি এদেশে সংখ্যালঘু , তবুও আমি “এদেশের” — এই মাটি, এই জল, এই পল্লীর পেঁপে গাছ, এই বর্ষার জলঢাকা পথ— সবই আমার চেনা। আমি হিন্দু, আমি বৌদ্ধ, আমি খ্রিস্টান— তবু আমি বাংলাদেশী , আমি সেই মা-বাবার সন্তান, যারা একাত্তরে কাঁধে বোমা নয়, কাস্তে-কলম-লাঠি তুলে দাঁড়িয়েছিল পাক-হানাদারের বিপক্ষে। আমার দাদার বুকেও বয়ে গিয়েছিল গুলি, জন্মভূমিকে ভালোবেসে। কিন্তু আজ তার নাতি আমি— নতুন করে পরিচয়ের সনদ চাই। আমি এদেশে সংখ্যালঘু, আমার ঈশ্বরকে আমি মাটির মূর্তিতে দেখি— তাই আমি ভয় পাই, কারণ একদিন সেই মূর্তি ভাঙা হয় ‘অপরাধে’ যে আমি ভিন্ন রূপে ঈশ্বরকে ভালোবাসি। আমি শারদীয়া দুর্গাপূজায় মা দুর্গাকে স্বাগত জানাই, আর সেই সময় আমার কাঁপে বুক— বাজার থেকে ফেরার পথে গলার মালা ছিঁড়ে ফেলা হতে পারে, ঘরের প্রতিমায় পাথর ছোঁড়া হতে পারে। পুলিশ হয়তো আসবে, আবার হয়তো আসবেই না। আমি স্কুলে বাংলায় ‘মা’ লিখি, কিন্তু প্রশ্ন আসে— “তুমি হি...

এইতো জীবন

ছবি
এইতো জীবন — এক আক্ষেপ, এক উপলব্ধি জীবন বেশি সময়তো নয়, যতটুকুই সময়, অনেক সময় হয় অপচয় কতো জয়, কতো ক্ষয়, কতো ভয় আশা-নিরাশার দোলাচালে বেঁচে রয় সময় ফুরিয়ে গেলে চলে যেতে হয়। জীবন বেশি সময়তো নয়।। জীবন বেশি সময়তো নয়, খুবই অল্প সময়, চাওয়া-পাওয়ার জয়-পরাজয় প্রেম-বিয়ে ভালোবাসাও তো হয় কেউ ব্যর্থ, সফলতায় জীবন মধুময় সময় ফুরোলে সবকিছুই স্মৃতি হয়ে রয়। জীবন বেশি সময়তো নয়।। 🖊️ কবি: নিতাই বাবু ✍️ লেখক পরিচিতি: নিতাই বাবু—(মূল নাম: নিতাই চন্দ্র পাল) একজন চিন্তাশীল কবি, ব্লগার ও সমাজ-মনস্ক লেখক। জন্ম ১৯৬৩ সালের জুন মাসে, বাংলাদেশের এক প্রাকৃতিক শোভাময় গ্রামে—নোয়াখালীর মহতাবপুরে। তাঁর শৈশব কেটেছে মুক্তিযুদ্ধের ছায়া ও দারিদ্র্যের বাস্তবতায়, যা তাঁর লেখায় গভীর জীবনবোধ ও সংবেদনশীলতার ছাপ রেখে গেছে। তিনি bdnews24 ব্লগের পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্লগার, লেখেন মানবিকতা, শহর-জীবন, নদী-সংস্কৃতি, এবং নান্দনিক সমাজবোধ নিয়ে। তাঁর কবিতায় ফুটে ওঠে সময়ের ক্ষণস্থায়িত্ব, ভালোবাসা, অপচয়, বেদনা এবং আশা-নিরাশার দোলাচল। নিতাই বাবুর লেখনী সরল অথচ হৃদয়গ্রাহী—যেখানে পাঠক খ...

শহরের ফুটপাত

ছবি
ফুটপাত,  কিছুতেই কমছে না হকারদের উৎপাত এতে শত উন্নয়ন-ই হয়ে যাচ্ছে ধূলিসাৎ, পথচারীদের মাথায় পড়ছে বজ্রপাত ফুটপাতের কারণেই যানজটের সূত্রপাত!  ফুটপাত,  শহরের রাস্তা মাত্র কয়েক হাত তারমধ্যে অর্ধেক রাস্তাই ফুটপাত, সরাতে গেলে পেটে লাগে আঘাত কেউ বলে গরিবের উপর কষাঘাত!  ফুটপাত,  তাহলে কীভাবে হবে মুক্ত ফুটপাত? যদি না থাকে বিশিষ্টজনের দৃষ্টিপাত, শহরের উন্নয়ন সৌন্দর্য সবই ধূলিসাৎ  নির্বিঘ্নে হাঁটার বিঘ্ন ঘটাচ্ছে ফুটপাত।  নিতাই বাবু  ৩০/০৪/২০২৩ইং। ছবি নারায়ণগঞ্জ কালীর বাজার সংলগ্ন নারায়ণগঞ্জ হাইস্কুল ও নারায়ণগঞ্জ কলেজ'র সাননে থেকে।

এই পৃথিবী আমার নয়

ছবি
এই পৃথিবী আমার নয় এই পৃথিবী আমার নয় — জন্মের পর থেকেই বুঝি এই আলো, এই রঙ, এই কোলাহল কোনো কিছুই তো আমার মতো নয়। আমার আকাশ নীল নয়, ধূসর আমার বাতাসে নেই বেলিফুলের গন্ধ, আমার ঘরে নেই শব্দের উল্লাস শুধু নীরবতা, ক্ষীণ শ্বাস। সবাই হাসে, আমি দেখি — হাসির আড়ালে জমে থাকা কান্না, সবাই বলে, "এ জীবন সুন্দর", আমি বলি, "সুন্দর কিন্তু কাদের জন্য?" ঘড়ির কাঁটা ঘোরে, আমার দিন রাত হয় — কিন্তু সময় কি কখনও আমার নাম রেখেছে নিজের কানে? এই পৃথিবী আমার নয় — তবু থেকেছি, কাগজে আঁকিনি বিদায়ের ছবি, তবু লিখেছি, নিঃশব্দের মাঝে একটি কবিতার দগদগে জীবনগাথা। — নিতাই বাবু 📘 লেখক পরিচিতি: নিতাই বাবু একজন সাহিত্যপ্রেমী, ব্লগার এবং কথাশিল্পী যিনি বাংলা ভাষার গভীরে ডুবে গিয়ে লিখে চলেছেন জীবনের কথা, সমাজের কথা। তাঁর কবিতায় উঠে আসে আত্মজিজ্ঞাসা, নিঃসঙ্গতা, শৈশবের ক্ষত এবং মানুষের অভ্যন্তরের অন্ধকার। তিনি bdnews24.com ব্লগের একজন পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক। 🔗 ফেসবুক: fa...

লেখা কথা

ছবি
লেখা কথা — নিতাই বাবু কলম ধরি, কাগজে ঝরে, মনের যত কথা, লেখা যেন জীবনের ক্ষতবিক্ষত ব্যথা। কারও জন্য প্রেম, কারও জন্য বেদনা, শব্দেরা জানে শুধু, আমার গভীর চেনা। আমি কবি না, আমি শুধু এক জনতা, যে জীবনের গল্প লেখে রাতের নিঃসঙ্গতা। বুকের ভেতর যে ঢেউ ওঠে নিঃশব্দে, তারই প্রতিধ্বনি — এই লেখার অবগাহনে। শব্দে শব্দে গাঁথা এক নীরব ইতিহাস, যা কেউ পড়লে ভাবে — বাহ! এ তো আমারই আশ! লেখা মানে মুক্তি, লেখা মানে যন্ত্রণা, লেখা মানেই — বুকের ভাঙা প্রাচীন বন্দনা। ✍️ লেখক পরিচিতি: নিতাই বাবু — একজন আবেগপ্রবণ কবি, ব্লগার ও শব্দসন্ধানী চিন্তাশীল মানুষ। বাংলার গ্রামীণ জীবন, ভাষা, সংগ্রাম ও আত্মপরিচয় তার লেখার মূল থিম। তিনি bdnews24 ব্লগের একজন পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক এবং  নারায়ণগঞ্জ শহরের ঐতিহ্য-সংগ্রামী হিসেবে সুপরিচিত। শীতলক্ষ্যা নদী, বন্দর, এবং ভাষার ইতিহাস তার কবিতার পরতে পরতে জড়িয়ে থাকে। 🔗 শেয়ার করুন: 📘 ফেসবুকে শেয়ার করুন 🐦 টুইটারে শেয়ার করুন ...

কষ্টের জীবন

ছবি
🌑 কষ্টের জীবন 🌑 — নিতাই বাবু জীবনটা যেন এক অদৃশ্য যুদ্ধক্ষেত্র, কেউ দেখে হাসিমুখ, কেউ বোঝে না ভিতরটা ভাঙা কতবার। ঘুম আসে না অনেক রাতে, আকাশের তারা যেন চোখের অশ্রু গোনে চুপচাপ। দিন যায়, রাত যায় — চাল নেই ঘরে, তবু মুখে হাসি রাখতে হয় সন্তানের সামনে। চুলে পাকা রঙ, হাতে কড়ে গোনা টাকা — অভাবের সংসারে ভালোবাসাও যেন বিলাসিতা। পড়াশোনা হয়নি, কিন্তু মনের গভীরে লেখা থাকে হাজারো অক্ষরের যন্ত্রণার কবিতা। কেউ ডাকে “অশিক্ষিত”, আমি ডাকি নিজেকে “অভিজ্ঞ” — যন্ত্রণার অভিধানে। চায়ের দোকানে বসে শুনি জীবনের গল্প, সবার মুখে আছে স্বপ্ন, আর আমার কাঁধে শুধু দায়। তবু বলি না কিছু — কারণ কষ্টেরও একটা গর্ব থাকে, অভিমানের মতো নীরব। ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখি না — আজটা কোনোভাবে পার করলেই যেন বেঁচে থাকা ধন্য। তবু লিখি... এই কষ্টের জীবন নিয়ে, কারণ এটাই আমার অস্তিত্ব। 🔗 শেয়ার করুন: 📘 ফেসবুকে শেয়ার করুন 🐦 টুইটারে শেয়ার করুন ✍️ লেখক পরিচিতি: নিতাই বাবু, একজন আবেগপ্রবণ কবি ও ব্লগার, যিনি সমাজ, স্মৃতি ও যন্ত্রণার গভীর অনুভূতি নিয়ে লেখেন।

সৃষ্টিকর্তা একজন

ছবি
✨ সৃষ্টিকর্তা একজন ✨ কতো ধর্মের কতো মানুষ সৃষ্টিকর্তা হলো একজন, ধর্ম হোক ভিন্ন ভিন্ন মানুষ মানুষের আপনজন। তুমি রাজা আমি প্রজা পার্থক্য শুধু এখানে, মৃত্যুর পরে চলে যাবো আমরা সবাই একস্থানে। কেউ খাচ্ছে কোরমা পোলাও কেউ পঁচা পান্তাভাত, কেউ ঘুমায় লেপ তোষকে কেউ জাগে রাত। কেউ থাকে দালান কোঠায় কেউ থাকে রাস্তায়, সবার দিনই যাচ্ছে চলে সবারই রাত পোহায়। আমি গরিব তুমি ধনী রক্তের বর্ণ একরকম, মানবজাতির হাসি কান্না হয়না তো দুইরকম! কেউ বলে আল্লাহ রসূল কেউ বলে ভগবান, কেউ বলে গড ঈশ্বর সৃষ্টিকর্তা বড়ই মহান। ✍️ লেখক পরিচিতি: নিতাই চন্দ্র পাল (নিতাই বাবু) — একজন নিবেদিতপ্রাণ ব্লগার, যিনি bdnews24.com-এর ব্লগ প্ল্যাটফর্মে লেখেন। তিনি সমাজ, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে লেখালেখিতে সিদ্ধহস্ত। তাঁর কলমে উঠে আসে জীবন, যৌবন ও যন্ত্রণার নিখুঁত চিত্র। 📘 ফেসবুকে লেখক: fb.com/srinitai.srinitai ...

পৃথিবীটা গোল

ছবি
🌍 পৃথিবীটা গোল পৃথিবীটা গোল, তাইতো এতো হট্টগোল। চারদিকে চিৎকার, কান্নার রোল, দেশে দশে বাজছে যুদ্ধের ডামাডোল! পৃথিবীটা গোলাকার, তাইতো দেখি চারদিকে হাহাকার। আশ্রয়হীনের আর্তনাদ, ক্ষুধার্তের চিৎকার, স্বদেশহারা শরণার্থীদের বুকফাটা আর্তচিৎকার! পৃথিবীটা ঘূর্ণায়মান, তবু কেন থেমে যায় মানবতার গান? বুকের ভিতর জমে ওঠে শত অভিমান, শান্তির নামে চলে রক্তাক্ত অভিযান। পৃথিবীটা ঘোরে, তবু বাঁচে না কাতর মায়ের চোখের কোণে ঘোরে। ক্ষমতার লোভে গড়ে বন্দুকের পাহাড় চূড়ে, অভাগাদের স্বপ্ন ভেঙে পড়ে মৃত্যু কবরের গহ্বরে। পৃথিবীটা ঘোরে ঠিকই, তবু হৃদয় যেন চিরদিনই অধিকারহীন একদিক! তবু কিছু শিশু আজও গায় নতুন দিনের সঙ্গীত, ভালোবাসা আর মানবতা হোক এই ধরণীর একমাত্র ঐশ্বরিক শক্তি চিরস্থায়ী নীত! ✍️ নিতাই বাবু পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্লগার, কবি ও সমাজসচেতন লেখক। bdnews24 ব্লগ -এ ‘নিতাই বাবু’ নামে লেখালেখি করেন বহু বছর ধরে। তাঁর লেখায় উঠে আসে শৈশব, গ্রামীণ জীবন, নারায়ণগঞ্জ শহর ও শীতলক্ষ্যার আত্মজ স্মৃতি...

আমার শৈশবের বন্ধু— শীতলক্ষ্যা

ছবি
🌊 আমার শৈশবের বন্ধু – শীতলক্ষ্যা 💙 নদী মানেই শুধু পানি নয়... নদী মানে এক বুক স্মৃতি, একমুঠো স্বপ্ন, একটুকরো শৈশব। স্বাধীনতার পর, বন্দরে আসার শুরুতেই আমার নতুন জীবনের গল্পে শীতলক্ষ্যা ছিল আমার প্রতিদিনের সঙ্গী। সকালবেলা স্কুলে যাওয়ার পথে তার কলকল শব্দ, দুপুরে ঘাটের ছেলেদের খেলাধুলা, আর বিকেলে নৌকার হালকা দুলুনিতে স্বপ্ন দেখা—এসব কিছুই বাঁধা ছিল এই নদীর সঙ্গে। কিন্তু আজ... আমার সেই প্রিয় বন্ধুটা আর আগের মতো নেই। কলকারখানার দূষণ, বেদখল আর লোভের আগ্রাসনে সে যেন দম বন্ধ হয়ে আসা এক নীরব আত্মা। এই নদীর বুকেই আমি ছুঁয়েছিলাম জীবনের প্রথম স্বাধীনতা। আজ সেই নদীর বুক চিড়ে বয়ে চলে বিষ ও বিসর্জনের ধারা। তবুও স্মৃতির ভেতর সে এখনো আছে। আমি আজও শুনতে পাই সেই ঢেউয়ের ডাক। — নিতাই বাবু

মেয়ের বাড়ি করপাড়ায়

ছবি
সবুজ ছায়া ছুঁয়ে আসে, বৌলতলি বাজার পেরিয়ে— করপাড়ার পথ ধরে হাটছি, যেন গ্রামজীবনের গভীর এক বয়ে যাওয়া গান। এক পাশে কলাপাতা নড়ে, চুপিচুপি বলে যায় গল্প, অন্য পাশে ধানক্ষেতের হাসি মাঠের বুক ভরে দেয় স্বপ্ন। এই পথে কতদিন হেঁটেছে পা, মাঠের ছেলে, স্কুলের মেয়ে, কখনো বর্ষায় কাদামাখা, কখনো শরতে রোদে ভেজা। বোলাকর বাজারের ডাক, দূরে বাজে যেন শালিকের গান, এই পথ শুধু রাস্তা নয়— এ এক মায়ার টান। গোধূলি নামলে গাছেরা কাঁপে, হাওয়ার সাথে বাজে বাঁশির সুর, এই করপাড়ার শান্ত ছায়াপথ আমার হৃদয়ের উর্বর থির। ভূমিকা গ্রাম মানেই একটানা চলতে থাকা প্রাণের ছন্দ— সবুজ গাছ, পাখির ডানা, মাঠের বুকজুড়ে বাতাসের পরশ। আমার জন্মভূমি গোপালগঞ্জের করপাড়া গ্রাম— যেখানে বৌলতলি বাজার থেকে শুরু হয়ে একটি সরু পিচঢালা রাস্তা এগিয়ে চলে মাঠের পাশ দিয়ে, গাছের ছায়া পেরিয়ে, মানুষের চেনা মুখ, হারিয়ে যাওয়া গন্ধ আর ফেলে আসা দিনগুলোর মতো এক অনুভব বয়ে নিয়ে। এই পথ শুধু যাত্রার মাধ্যম নয়, এ পথ আমার শৈশবের সঙ্গী, আমার নীরব ভালোবাসা, আমার স্মৃতির রঙিন রেখা। এই করপাড়ার পথকে ঘিরেই রচিত হয়েছে একটি কবিতা— যার প্রতিটি শব্দে মিশে আছে মাটি, গন্ধ, ছায়...

করপাড়ার পথ

ছবি
সবুজ ছায়া ছুঁয়ে আসে, বৌলতলি বাজার পেরিয়ে— করপাড়ার পথ ধরে হাটছি, যেন গ্রামজীবনের গভীর এক বয়ে যাওয়া গান। এক পাশে কলাপাতা নড়ে, চুপিচুপি বলে যায় গল্প, অন্য পাশে ধানক্ষেতের হাসি মাঠের বুক ভরে দেয় স্বপ্ন। এই পথে কতদিন হেঁটেছে পা, মাঠের ছেলে, স্কুলের মেয়ে, কখনো বর্ষায় কাদামাখা, কখনো শরতে রোদে ভেজা। বোলাকর বাজারের ডাক, দূরে বাজে যেন শালিকের গান, এই পথ শুধু রাস্তা নয়— এ এক মায়ার টান। গোধূলি নামলে গাছেরা কাঁপে, হাওয়ার সাথে বাজে বাঁশির সুর, এই করপাড়ার শান্ত ছায়াপথ আমার হৃদয়ের উর্বর থির। ভূমিকা গ্রাম মানেই একটানা চলতে থাকা প্রাণের ছন্দ— সবুজ গাছ, পাখির ডানা, মাঠের বুকজুড়ে বাতাসের পরশ। আমার জন্মভূমি গোপালগঞ্জের করপাড়া গ্রাম— যেখানে বৌলতলি বাজার থেকে শুরু হয়ে একটি সরু পিচঢালা রাস্তা এগিয়ে চলে মাঠের পাশ দিয়ে, গাছের ছায়া পেরিয়ে, মানুষের চেনা মুখ, হারিয়ে যাওয়া গন্ধ আর ফেলে আসা দিনগুলোর মতো এক অনুভব বয়ে নিয়ে। এই পথ শুধু যাত্রার মাধ্যম নয়, এ পথ আমার শৈশবের সঙ্গী, আমার নীরব ভালোবাসা, আমার স্মৃতির রঙিন রেখা। এই করপাড়ার পথকে ঘিরেই রচিত হয়েছে একটি কবিতা— যার প্রতিটি শব্দে মিশে আছে মাটি, গন্ধ, ছায়...