পোস্টগুলি

মৃত্যু লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শ্রীমদ্ভগবদগীতা — পর্ব ৮ | মৃত্যু, আত্মা ও ভক্তির চেতনা

ছবি
  📖 শ্রীমদ্ভগবদগীতা — পর্ব ৮ এই পর্বটি কেন্দ্রীয়ভাবে আলোচনা করে — মৃত্যু , পরমেশ্বর ও চেতনাবোধ সম্পর্কে। শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বুঝান যে, মৃত্যুর মুহূর্তে কোন স্মৃতি বা মনোভাব থাকছে তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ — কারণ সেটিই আত্মার গন্তব্য নির্ধারণ করতে সহায়ক। 🔹 মূল ধারণা শ্রীকৃষ্ণ বলেন — জীবিত অবস্থায় যে চেতনা ও স্মৃতি আমরা ধরে রাখি, সেগুলোই মৃত্যুর সময় ও পরবর্তী ভূমির আরোপ নির্ধারণ করে। যারা মৃত্যুর পূর্বে আমাকে স্মরণ করে, তারা আমার উপর অভিস্মরণ করে সদগতি পায়। ফলে নিয়মিত ভক্তি, ধ্যান ও ঈশ্বর-স্মরণ জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে পরিণত করে। 🔹 আত্মা ও দেহের সম্পর্ক এখানে স্পষ্ট করা হয় যে—দেহ فنا; কিন্তু আত্মা অবিনশ্বর। দেহ পরিবর্তনশীল, আত্মা স্থায়ী। শরীরের মৃত্যু হল কেবলমাত্র বাহ্যিক আচ্ছাদন ভাঙা; আত্মার চলাচল অব্যাহত থাকে। আত্মার প্রকৃত পরিচয় বোঝার মাধ্যমেই মানুষ মরণোত্তর স্থিতি সম্পর্কে সঠিক উপলব্ধি লাভ করে। 🔹 মৃত্যুর মুহূর্তে স্মৃতির গুরুত্ব শ্রীকৃষ্ণ জানিয়েছেন—যে কোনো ব্যাধি, আঘাত বা প্রাকৃতিক কারণে মৃত্যু হলে মানুষের মন ক...

মানুষের মৃত্যু অনিবার্য — অনিশ্চয়তার পৃথিবী

ছবি
  মৃত্যুর উপর কারোর হাত নেই — অনিশ্চয়তার মধ্যে এক নিশ্চিত সত্য মৃত্যুর উপর কারোর হাত নেই — অনিশ্চয়তার মধ্যে এক নিশ্চিত সত্য লেখা: নিতাই বাবু • ভাবনা ও প্রতিফলন মৃত্যুর উপরে কারো কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। জীবন যতই পরিকল্পিত হোক না কেন—এই পৃথিবীর সমস্ত কিছু অনিশ্চিত। একমাত্র নিশ্চিত সত্য হলো মানুষের মৃত্যু। "এই পৃথিবীতে যা কিছু আছে, সবই অনিশ্চিত; কেবল মানুষের মৃত্যু-ই একমাত্র নিশ্চিত।" এ কথা ভেবেই মানুষকে জীবনের মূল্য বুঝতে হয়—আজকের প্রতিটি মুহূর্তকে যথার্থভাবে বাঁচার চেষ্টা করা উচিত। হিসেব-নিকেশ, অযথা দুশ্চিন্তা, ক্ষুদ্র বিবাদ—এসব জীবনের প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে দেয়। কিছু ভাববার বিষয় ১) ধৈর্য ও নম্রতা: মৃত্যুর অনিবার্যতা আমাদের নম্র করে। অনিশ্চিত জীবনে ধৈর্য রাখা মানসিক শক্তি বাড়ায়। ২) সম্পর্কের গুরুত্ব: আপনজন, বন্ধু ও পরিবার—এরা শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে মূল্যবান। সময় নষ্ট না করে সম্পর্ক লালন করা উচিত। ৩) প্রার্থনা ও মনোশক্তি: বিশ্বাস ও প্রার্থনা অনেক সময় মানুষের মানসিক ভার ...

জীবনচক্র

ছবি
  জন্ম থেকে জীবন শুরু, চিতায় আগুনে হয় শেষ, শৈশব থেকে বৃদ্ধকাল, যৌবনে উত্তাল ধরে কত ছদ্মবেশ। হেঁটে চলে জীবনের পথে, কত শত মুখ দেখি, কত স্মৃতি হয় জড়ো, কিছু হাসি, কিছু কান্না, কিছু চাওয়া, কিছু পাওয়া, আবার কিছু না পাওয়ার শূন্যতা! আশার আলোয় আলোকিত এক নতুন সকাল, কত স্বপ্ন, কত ইচ্ছে, কত উন্মাদনা ধরা দেয় হৃদয়ে। শৈশবের দুরন্তপনা, কৈশোরের বাঁধনহারা উন্মত্ততা, প্রেমের প্রথম স্পর্শ, সবুজ পাতায় লেখা জীবনের নতুন অধ্যায়, আর বার্ধক্যের বিষণ্ণতা। তবুও এই খেলা থেমে থাকে না, জীবন আবার ফিরে আসে নতুন করে নতুন কোনো রূপে, এক জীবন থেকে আরেক জীবনে যেন এক অফুরন্ত নদী! একবার যদি শুরু হয় এই জীবন, তবে এর শেষ কোথায় কে জানে, কে বলতে পারে? জীবনের গল্প চলতেই থাকে, নতুন গল্প তৈরি হয়, আর সেই গল্পে লেখা হয়— নতুন এক ইতিহাস। নিতাই বাবু পুরস্কারপ্রাপ্ত নাগরিক সাংবাদিক – ২০১৭। লেখালেখির শুর...