পোস্টগুলি

দুঃখ লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শ্মশানের জীবন্ত

ছবি
  🖤 কবিতা: শ্মশানের জীবন্ত শ্মশানের জীবন্ত জীবিত, অথচ মৃতের বেশে — ভয়ানক এক অভিনয়! প্রাণের ভেতর প্রাণহীন দেশ, হৃদয়ে নীরব মৃত্যুর জয়। শেষকৃত্যের গন্ধ বাতাসে, চেতনায় অন্ত্যেষ্টির গান, জাগ্রত এক সমাধি দেহে, জীবন-মরণ একাকার জান। আত্মার শবযাত্রা চলে নীরবে, প্রহর গুনে বিষণ্ন দিন, ছায়ার মতো হেঁটে চলে, নিঃশব্দ শোকের এক কঠিন কিনারায়। আলো হারায় অন্ধকারে, নিভে যায় প্রাণের দীপ, আশার প্রদীপ চূর্ণ হয়ে পড়ে, অন্তরে বিষণ্ন রূপ। তবুও বেঁচে থাকা এক অভিশাপ— যেন শ্মশানের জীবন্ত ছায়া, জীবনেরই অন্তিম চাপ। নিতাই বাবু পুরস্কারপ্রাপ্ত নাগরিক সাংবাদিক — ২০১৭ সাহিত্য, সমাজ এবং সৃজনশীলতায় তাঁর পদচারণা ব্যাপক। নিয়মিত লেখেন ব্লগ, কবিতা ও সমাজ ভাবনার নানা বিষয়ে।

দুঃখের ছায়া

ছবি
  🖤 দুঃখের ছায়া নীরব রাতের কান্না শুনি, চাঁদের আলোয় ভেজে ধূনি। হৃদয় জুড়ে জমে ব্যথা, কেউ বোঝে না, রাখে না কথা। ভাঙা স্বপ্ন কাঁচের মতো, পায়ে লাগে, রক্ত ঝরতো। হাসির আড়াল বিষাদ ভরা, জীবন যেন নিঃশ্বাস ধরা। বন্ধ জানালায় চেয়ে থাকি, আলো আসে, ছুঁয়ে না মাখি। স্মৃতিরা আসে, বসে পাশে, বলে, “তুমি একা নও আশে।” ছোট্ট কিছু কথা, হারানো গান, ভেসে আসে দূর অতীতের প্রাণ। একটি চিঠি, একটি ছবি, ভালোবাসা ছিল, আজ শুধু রবি। মায়ের মুখ, বাবার ছায়া, বন্ধুর হাসি, প্রেমের মায়া। সবই যেন স্বপ্নের মতো, জেগে উঠি, নেই কেউ ততো। দুঃখ আমার সাথী হয়ে, চলে দিন, রাতের ছোঁয়ায়। সে-ই জানে, কতটা কাঁদি, সে-ই বোঝে, কতটা ভাঙি। তবু আশার আলো জ্বলে, একটি নাম, একটি ছলে। ভবিষ্যতের একটুখানি রঙ, দুঃখের মাঝে স্বপ্নের ঢঙ। আমি লিখি, আমি গাই, ব্যথার মাঝে শান্তি পাই। দুঃখ যদি বন্ধু হয়, তবে সে-ই তো হৃদয়ের জয়। ✍️ লেখক পরিচিতি: নিতাই বাবু পুরস্কারপ্রাপ্ত নাগরিক সাংবাদিক — ২০১৭ ব্লগ ডট বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম 📚 আরও পড়ুন: 👉 জীবনের ঘটনা | নিতাই বাবু ব্লগ | ...

দুঃখ আমার চিরসাথী হাসি আমার জীবনসঙ্গী

ছবি
      দুঃখ আমার চিরসাথী, হাসি আমার জীবনসঙ্গী!   জন্ম থেকেই দুখী আমি। তাই দুঃখকে খুবই ভালোবেসে ফেলেছি। দুঃখও আমাকে ভালোবাসে। আমি যেমন দুঃখ ছাড়া চলতেই পারি না, দুঃখও আমাকে ছাড়া থাকতে পারে না। দুঃখটাকে ভুলে থাকার জন্য আমি অনেকবার অনেক চেষ্টা করেছি। কিন্তু দুঃখকে ভুলতে পারিনি।  একবার দুঃখকে প্রিয় জন্মভূমিতে রেখে ভারত গিয়েছিলাম। মনে করেছিলাম, দুঃখ আর আমার নাগাড় পাবে না। আমি সুখ নিয়ে মহা সুখে থাকবো। কিন্তু না, জন্মভূমির দুঃখ সাথে না গেলেও, আমি ভারতে পা রাখার পরপর ভারতের দুঃখ আমাকে আশ্রয় করে ফেললো। সুখের আশায় ভারত গেলে আর কী হবে, ঐ দেশের সুখ আমার জীবনে খাপ খাওয়াতে পারিনি। অবশেষে যে-ক'দিন ভারতে ছিলাম, ভারতের দুঃখকে সাথী করেই ছিলাম। অবশেষে ভারত থেকে দেশের মাটিতে পা রেখেই আবার নিজ দেশের দুঃখকে সাথী করে নিলাম।  তারপরও জীবন চলার মাঝে যখন এই পৃথিবীর আলোকিত মানুষগুলো দেখি! তাদের সুখও  দেখি! তখন ইচ্ছে হয় নিজেও একবার জীবনটাকে আলোকিত করতে। কিন্তু জীবনটাকে আলোকিত করার জন্য এতো আলো কোথায় পাই? এ নিয়ে নিজে নিজেই ভাবি! ভাবতে ভাবতে আলোর দেবতা সূর্যদেবের কথা মনে প...