পোস্টগুলি

রামকৃষ্ণ লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস ও মা সারদা দেবীর যুগল সান্নিধ্য

ছবি
  🌸 শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস ও মা সারদা দেবীর যুগল সান্নিধ্য 🌸 🕉️ ঐতিহ্যবাহী শিল্পরূপে শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস ও মা সারদা দেবী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস (১৮৩৬–১৮৮৬) ছিলেন ভারতের আধ্যাত্মিক নবজাগরণের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর জীবনযাপন, ভক্তি, আর সাদামাটা ভাষায় বলা আধ্যাত্মিক সত্য আজও কোটি মানুষের পথপ্রদর্শক। অন্যদিকে, মা সারদা দেবী ছিলেন তাঁর জীবনসঙ্গিনী ও আধ্যাত্মিক সহযাত্রী। যুগলভাবে তাঁরা এক মহান আদর্শ উপহার দিয়েছেন— "গৃহস্থ জীবনেও ঈশ্বরপ্রেম ও সাধনা সম্ভব" । শ্রী রামকৃষ্ণের ভক্তরা তাঁকে ঈশ্বররূপে মানলেও, মা সারদা দেবী ছিলেন মাতৃস্বরূপ— স্নেহ, দয়া ও করুণার প্রতীক। তাঁদের এই যুগল জীবনযাপন শুধু আধ্যাত্মিক অনুপ্রেরণাই নয়, সামাজিক সমতা, নারী-পুরুষের সমান মর্যাদা এবং ভক্তির ভিন্ন ভিন্ন পথের ঐক্যকেও তুলে ধরে। 🌼 তাঁরা যেন সকলের জীবনে আলো, শান্তি ও প্রেমের উৎস হয়ে থাকেন 🌼 ✍️ নিতাই বাবু 🏆 পুরস্কারপ্রাপ্ত নাগরিক সাংবাদিক – ২০১৭ 🏆 ব্লগ ডট বিডিনিউজ টুয়...

ভক্তিযোগ: ভক্তির আসল অর্থ ও সাধনার তিনটি মাত্রা

ছবি
  ভক্তিযোগ: ভক্তির আসল অর্থ ও সাধনার তিনটি মাত্রা ভক্তিযোগ: ভক্তির আসল অর্থ ও সাধনার তিনটি মাত্রা চতুর্বিধ যোগসাধনার অন্যতম হল ভক্তিযোগ । বর্তমানে 'ভক্তি' কিংবা 'ভক্ত' শব্দটির কিছুটা ভুল প্রয়োগ আমরা শুনতে পাই। যেমন — কোনও মঠ বা মন্দিরে সমাগত দর্শনার্থীদেরকে 'ভক্ত' বলা হয়, কিংবা 'সাধু ও ভক্ত' বলে আলাদা শ্রেণি ধরা হয়। কিন্তু ঠাকুর-স্বামীজির অনুধ্যানে ভক্তি একটি আধ্যাত্মিক সাধন-পথ । যিনি ভক্ত, তিনিই সাধক বা সাধু। তাই ভক্ত ও সাধু আলাদা কোনও শ্রেণি নয়। যোগের চারপথ অধ্যাত্ম-সাধনার যোগ চারপ্রকার: জ্ঞানযোগ কর্মযোগ রাজযোগ ভক্তিযোগ সাধক নিজের ক্ষমতা ও রুচি অনুযায়ী পথ বেছে নিতে পারেন। তবে স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন, ভক্তিযোগই সহজতম ও মধুরতম । "ভক্তিযোগে ভক্তিই একাধারে উদ্দেশ্য এবং উপায় দুইই।" — স্বামী বিবেকানন্দ ভক্তির স্বরূপ ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণ শেখালেন, 'ভক্তিকামনা কামনার মধ্যে নয়' । অন্য কামনা মানুষের বদ্ধতা বাড়ায়, কিন্তু ভক্তির কামনায় আত্মার আচ্ছাদন ক্ষীয়মান হ...

ঈশ্বর ও ভগবান: শাস্ত্রীয় বিশ্লেষণ ও ভক্তির আলোকে সত্য অনুসন্ধান

ছবি
  ✨ ঈশ্বর, ভগবান না ব্রহ্ম?—শাস্ত্রীয় বিশ্লেষণ ও ভক্তির দৃষ্টিতে সত্য অনুসন্ধান ✨ আজ সন্ধ্যা বেলায় এক সাধক ব্যক্তি আমায় ফোন করেছিলেন। তিনি যথেষ্ট পণ্ডিত ব্যক্তি বলেই শুনেছি। আমার “সতীপীঠ” পোস্ট প্রসঙ্গে তিনি কথা বলছিলেন। তিনি বললেন—ভগবান ও ঈশ্বর দুটি পৃথক বিষয় এবং শ্রীকৃষ্ণ নাকি ভগবান নন। তিনি বেদের উদাহরণ সহ অনেক যুক্তি দিলেন। আবার যখন আমি ৩৩ কোটি দেবতা প্রসঙ্গে বললাম, তখন তিনি হেসে উঠলেন, যেন তাচ্ছিল্য করলেন। অবশেষে আমি ফোন কলটি কেটে দিলাম। 🔱 ঈশ্বর প্রসঙ্গে 'ঈশ্বর' শব্দের উৎপত্তি সংস্কৃত ব্যাকরণের ‘ঈশ’ ধাতু থেকে, যার অর্থ কর্তৃত্ব করা । তাই যিনি সকলের কর্তা, তিনিই ঈশ্বর। ঈশ্বর সর্বশক্তিমান, বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের নিয়ন্তা, সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা ও সংহারকর্তা। তাঁর রূপ অনন্ত, নাম অনন্ত, ব্যাপ্তি অনন্ত। 💠 ভক্ত ও জ্ঞানীর দৃষ্টিতে সাধকের কাছে ঈশ্বর সাকার ও নিরাকার উভয় রূপে ধরা দেন। ভক্তের কাছে তিনি সাকার ভগবান, জ্ঞানীর কাছে তিনি নিরাকার ব্রহ্ম। ভগ...