পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দোল পূর্ণিমার ইতিহাস ও তাৎপর্য — কেন রঙ মাখামাখি খেলা হয়

ছবি
  দোল পূর্ণিমার ইতিহাস ও তাৎপর্য | নিতাই বাবু 🎨 দোল পূর্ণিমার ইতিহাস ও তাৎপর্য দোল পূর্ণিমা হিন্দু ধর্মে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎসব। ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত এই দিনটি প্রেম, ভক্তি, মিলন এবং আনন্দের প্রতীক। এই উৎসবকে অনেকে হোলি নামেও চেনে। 📜 দোল পূর্ণিমার ইতিহাস শ্রীকৃষ্ণ ও রাধার লীলা: বৃন্দাবনে কৃষ্ণ গোপীদের সঙ্গে আবির-রঙ খেলা করতেন। কৃষ্ণের শ্যামবর্ণ ও রাধার গৌরবর্ণ রূপের পার্থক্য দূর করতে কৃষ্ণ রাধার গালে রঙ মেখেছিলেন। সেই থেকেই রঙ খেলার সূচনা। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মতিথি: দোল পূর্ণিমা চৈতন্য মহাপ্রভুর আবির্ভাব দিবস। তিনি ভক্তি আন্দোলনের মাধ্যমে প্রেম, মানবতা ও সমতার শিক্ষা দেন। তাই এ উৎসব তাঁর স্মরণেও পালন করা হয়। হোলিকা দহন: হিরণ্যকশিপুর অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রহ্লাদের ভক্তি বিজয়ী হয়েছিল। অগ্নিতে বসেও প্রহ্লাদ রক্ষা পান, হোলিকা দগ্ধ হন। এ কাহিনি অশুভ শক্তির বিনাশ ও শুভ শক্তির জয়ের প্রতীক। 🌸 দোল পূর্ণিমার তাৎপর্য ভক্তির উৎসব: রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা ও ভক্তির স্মরণে ভজন-সংকীর্তন। মানবত...

হিন্দুধর্মে চড়ক পূজা: ইতিহাস, তাৎপর্য ও আচার-বিধি

ছবি
  হিন্দুধর্মে চড়ক পূজা: ইতিহাস, তাৎপর্য ও কারণ হিন্দুধর্মে চড়ক পূজা: ইতিহাস, তাৎপর্য ও কারণ চড়ক পূজা বাংলার লোকজ ও শাক্ত ধর্মাচরণের অন্যতম প্রাচীন উৎসব। এটি শিবের আরাধনার সাথে যুক্ত একটি তান্ত্রিক পূজা। গ্রামীণ সমাজে বিশেষত চৈত্র মাসের শেষে এই পূজা পালিত হয় এবং একে ঘিরে গ্রামবাংলায় বিশাল লোকোৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়। 📜 ইতিহাস চড়ক পূজার উৎপত্তি বহু প্রাচীন। পাল-সেন যুগে তান্ত্রিক শাক্ত সাধনার প্রসারে এই পূজা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। মূলত শিবের পূজার অংশ হিসেবেই এর সূচনা হয়। মানুষ বিশ্বাস করত, রোগ-শোক, মহামারী, অকালমৃত্যু ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য দেবতার কৃপা প্রয়োজন। তাই দেবতাকে সন্তুষ্ট করার জন্য কষ্টসহিষ্ণু ভক্তরা শরীর বিদ্ধ করে চড়কগাছে ঝুলত। এভাবে চড়ক পূজা ক্রমে গ্রামীণ সমাজের অঙ্গ হয়ে ওঠে। শুধু ধর্মীয় আচার নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আনন্দোৎসব হিসেবেও এর বিস্তার ঘটে। 🙏 পূজার তাৎপর্য অশুভ শক্তি নিবারণ: বিশ্বাস ছিল, শিবকে সন্তুষ্ট করলে গ্রাম মহামারী ও রোগ-শোক মুক্ত হবে। ফসলের সমৃদ্ধি: কৃষিনির্...

বৌদ্ধ ধর্মের ইতিহাস — ধর্মগ্রন্থ, ত্রিপিটক ও গুরুত্ব

ছবি
  বৌদ্ধ ধর্মের ইতিহাস ও ধর্মগ্রন্থসমূহ বৌদ্ধ ধর্মের ইতিহাস ও ধর্মগ্রন্থসমূহ বৌদ্ধ ধর্ম বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ও দর্শনভিত্তিক ধর্ম। খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে গৌতম বুদ্ধ -এর শিক্ষা থেকে এর সূচনা ঘটে। তিনি মানবজীবনের দুঃখ ও দুঃখমুক্তির পথ নিয়ে শিক্ষা প্রদান করেছিলেন, যা আজও কোটি মানুষের আধ্যাত্মিক জীবনের পথপ্রদর্শক। 🌸 বৌদ্ধ ধর্মের ইতিহাস গৌতম বুদ্ধের জন্ম হয়েছিল খ্রিষ্টপূর্ব ৫৬৩ অব্দে লুম্বিনী (বর্তমান নেপাল)। শাক্য রাজকুমার হিসেবে তিনি বিলাসবহুল জীবনে বড় হন। কিন্তু বার্ধক্য, রোগ, মৃত্যু ও দুঃখ দেখে সংসারত্যাগ করেন। বোধিবৃক্ষের নিচে দীর্ঘ ধ্যান ও সাধনার পর তিনি জ্ঞানপ্রাপ্ত হন এবং ‘বুদ্ধ’ উপাধি লাভ করেন। তিনি মানুষকে শিক্ষা দেন — চতুরার্য সত্য: দুঃখ, দুঃখের কারণ, দুঃখ নিরসন ও মুক্তির পথ। অষ্টাঙ্গিক মার্গ: সম্যক দৃষ্টি, সম্যক সংকল্প, সম্যক বাক্য, সম্যক কর্ম, সম্যক আজীবিকা, সম্যক ব্যায়াম, সম্যক স্মৃতি, সম্যক সমাধি। সম্রাট অশোক (খ্রিষ্টপূর্ব ৩য় শতক) বৌদ্ধ ধর্মকে রাষ্ট্রীয় আশ্রয় দেন এবং তাঁর প্রচেষ্টায় এটি ভারত থেকে শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, চ...