পোস্টগুলি

শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী ২০২৫: এক বৈশ্বিক উদযাপন

ছবি
  ​শ্রী কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী ২০২৫: এক বৈশ্বিক উদযাপন এবং শাশ্বত মূল্যবোধের প্রতিধ্বনি ​শ্রী কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব, প্রতি বছর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ আবির্ভাব তিথিকে স্মরণ করে পালিত হয়। এই উৎসব কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়, এটি ধর্ম, প্রেম এবং ন্যায়ের শাশ্বত মূল্যবোধের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ২০২৫ সালে, এই পূণ্য তিথিটি ১৬ই আগস্ট, শনিবার, বিশ্বজুড়ে এবং বিশেষভাবে বাংলাদেশে, অত্যন্ত ভক্তি ও উৎসাহের সাথে উদযাপিত হবে। ​জন্মাষ্টমীর মর্মার্থ: ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব উদযাপন ​জন্মাষ্টমী, যা কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী, গোকুলাষ্টমী বা শ্রীকৃষ্ণ জয়ন্তী নামেও পরিচিত, ভগবান বিষ্ণুর অষ্টম অবতার শ্রীকৃষ্ণের জন্মবার্ষিকী উদযাপনের একটি বার্ষিক হিন্দু উৎসব । কিছু হিন্দু ধর্মগ্রন্থে, যেমন গীতা গোবিন্দে, কৃষ্ণকে পরমেশ্বর ভগবান এবং সকল অবতারের উৎস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে । ​পৌরাণিক তাৎপর্য: বিষ্ণুর অষ্টম অবতারের জন্ম ​এই উৎসবটি মথুরার কারাগারে দেবকী ও বাসুদেবের পুত্র হিসেবে শ্রীকৃষ্ণের জন্মকে স্মরণ করিয়ে দেয় । দেবকীর ভাই, অত্যাচারী রাজা কংস, একটি দৈববাণীর ভয়ে ভীত ছিলেন য...

Google AdSense অনুমোদনের চেকলিস্ট

ছবি
  ✅ Google AdSense অনুমোদনের চেকলিস্ট তারিখ: August 14, 2025 ১. কনটেন্ট ও পোস্ট প্রতিটি পোস্টে ৫০০–৮০০ শব্দ থাকা উচিত। কনটেন্ট অবশ্যই মৌলিক এবং কপিরাইটমুক্ত হতে হবে। ব্লগে ১৫–২০টি মানসম্পন্ন পোস্ট থাকা ভালো। ২. ব্লগের নেভিগেশন ও ডিজাইন সহজে নেভিগেট করার মতো থিম ব্যবহার করুন। মেনু, হেডার, ফুটার ঠিকমতো সেট করুন। মোবাইল রেসপন্সিভ থিম ব্যবহার করুন। ৩. প্রয়োজনীয় পেজ যোগ করুন 📄 About Page: ব্লগ ও লেখকের পরিচিতি। 📧 Contact Page: যোগাযোগের তথ্য। 🔒 Privacy Policy: প্রাইভেসি পলিসি যুক্ত করুন। ⚖️ প্রয়োজনে Terms of Service পেজও যুক্ত করুন। ৪. কপিরাইট সমস্যা ও ছবি/ভিডিও চেক অন্যের ছবি/ভিডিও ব্যবহার করলে অনুমতি নিন। লাইসেন্সযুক্ত ছবি ব্যবহার করুন (যেমন Pixabay, Unsplash )। ৫. ব্লগের URL ও Settings পরীক্ষা ব্লগের URL সক্রিয় আছে কি দেখুন। HTTPS SSL প্রটোকল ব্যবহার করুন। ...

এ এক আজব দেশে বাস করছি: অন্যায়, চাঁদাবাজি ও নজরদারির ছায়া

ছবি
এ এক আজব দেশে বাস করছি: অন্যায়, চাঁদাবাজি ও নজরদারির ছায়া বাংলাদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আজ এক অদ্ভুত বাস্তবতা বিরাজ করছে— "জায়গায় জায়গায় চাঁদাবাজি, গুম, খুন, আহাজারি, সত্য বললেই নজরদারি।" এর সাথে যোগ হয়েছে সংখ্যালঘু নির্যাতন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান এবং শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস। চাঁদাবাজির জাল শিল্পাঞ্চল, বাজার, পরিবহন ও নির্মাণ—সবখানেই চাঁদাবাজির প্রভাব। ব্যবসায়ীরা দিনের পর দিন অবৈধ অর্থ আদায়ের শিকার হচ্ছেন, অথচ ন্যায়বিচার নেই। এর ফলে: অর্থনীতির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছে। বিনিয়োগকারীর আস্থা ও বিদেশি বিনিয়োগ হ্রাস পাচ্ছে। চাঁদাবাজির মাধ্যমে রাজনীতিকরা অর্থ সংগ্রহ করছেন, যেখানে সাধারণ মানুষ শোষণের শিকার। গুম, খুন ও আতঙ্কের রাজনীতি মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গুম ও খুন এখন রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। ক্ষমতাসীনদের বিরোধী বা পুরোনো রাজনৈতিক দলের সদস্যরা: মিথ্যা মামলা, হয়রানি ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। রাজনৈতিক ক্ষমতা Consolidation এর জন্য নাগরিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়...

বিশ্বের ধর্ম ও বিশ্বাসের একতা: মানবতার সাধারণ ভিত্তি

ছবি
বিশ্বের ধর্ম ও বিশ্বাসের একতা: মানবতার সাধারণ ভিত্তি বিশ্বের ধর্ম ও বিশ্বাসের একতা: মানবতার সাধারণ ভিত্তি পৃথিবীজুড়ে বিভিন্ন ধর্ম ও বিশ্বাসের প্রচলন রয়েছে, যেমন হিন্দু ধর্ম , ইসলাম ধর্ম , বৌদ্ধ ধর্ম , খ্রিস্ট ধর্ম , ইহুদি ধর্ম , নাদারা এবং আরও অনেক ছোট-বড় ধর্ম ও আচার-অনুষ্ঠান। এসব ধর্ম ও বিশ্বাসের বৈচিত্র্য থাকা সত্ত্বেও তাদের মূল উদ্দেশ্য মানব জীবনের উন্নতি, শান্তি এবং সমৃদ্ধি অর্জন। প্রত্যেকটি ধর্মই শিক্ষা দেয় ভালোবাসা , সহিষ্ণুতা , দয়া , ন্যায়পরায়ণতা এবং পরস্পরের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মূল্যবোধ । আচার-অনুষ্ঠানের পার্থক্য থাকলেও, মানবিক মূল্যবোধে সকল ধর্ম একসূত্রে গাঁথা। "ধর্ম কোনো বিভাজন নয়, বরং মানুষের মধ্যে একতা ও সংহতির সেতুবন্ধন।" আমাদের উচিত পারস্পরিক ভিন্নতাকে গ্রহণ করে, একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান গড়ে তোলা। কারণ আমরা সবাই একই সূর্যের আলোয় আলোকিত, যার অন্তরে রয়েছে ভালোবাসা ও বিশ্বাসের এক অপার শক্তি। সুতরাং, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, ইহুদি, নাদারা কিংবা অন্য যে কোনো ধর্মের অনুসারী হোন, আমরা সবাই এক মানবজাতি; যার একমাত্র ল...

ব্যঞ্জনবর্ণের কথপোকথন

ছবি
  ব্যঞ্জনবর্ণের কথপোকথন ✨ ব্যঞ্জনবর্ণের কথপোকথন ✨ ক: বলে কী যে করি, সহ্য হয় না স্বরবর্ণের বাড়াবাড়ি, আমি থাকি শ্রীকৃষ্ণের বাড়ি, মা কালীরও সাধন করি। খ: বলে খ্যান্ত কর তোর জারিজুরি, প্রশংসার ফুলঝুরি, আমি থাকি খোদার বাড়ি, আমার সাথে এত বাহাদুরি? গ: বলে শোন রে গাধা, গাড়ি ছাড়া তোদের গন্তব্যে বাধা, আমি থাকি গাড়িতে সদা, সেই গাড়িতে চড়ে কৃষ্ণের রাধা। ঘ: বলে গ তুই বড় গাধা, গাড়িতে দেখিস না ঘোড়া বাঁধা, আমার ঘোড়ার রং সাদা, সেই গাড়িতেই রাধা চলে সদা। ঙ: বলে কই যাই আমি, বলে দাও আমার অন্তরজামি, কৃষকের লাঙলে আমি, সেই লাঙল টেনে মরিও আমি। চ: বলে চেয়ে চেয়ে দেখি আমি, সবুজের এই লীলাভূমি, ফসলভরা যত জমি, চাষাবাদে হয় জানি আমি তুমি। ছ: বলে আর রক্ষা নাই, দেশ ছেড়ে কোন দেশে যাই, ঘরবাড়ি পুড়েও হয় ছাই, এই কথা কি কারো মনে নাই? জ: বলে এর আর কথা নাই, জীবনটা যেন হলো ছাই, জান ছাড়া যে কারোর রক্ষা নাই, সেই কথা স্মরণ নাই! ঝ: বলে আমি হলাম ঝড়-তুফান, প্রলয় করি এই জাহান, ঝাড়ুর বাড়ি দিব রে শয়তান, আমার ভয়ে কাঁপে দালান। ঞ: বলে শুনেছ ঝ’র বয়ান! ঝ নাকি বড় ক্ষমতাবান? মিঞা ভুইঞা যত পালোয়ান, সবার...

বিশ্বের ধর্ম ও বিশ্বাসের একতা: মানবতার সাধারণ ভিত্তি

ছবি
  বিশ্বের ধর্ম ও বিশ্বাসের একতা: মানবতার সাধারণ ভিত্তি বিশ্বের ধর্ম ও বিশ্বাসের একতা: মানবতার সাধারণ ভিত্তি পৃথিবীজুড়ে বিভিন্ন ধর্ম ও বিশ্বাসের প্রচলন রয়েছে, যেমন হিন্দু ধর্ম , ইসলাম ধর্ম , বৌদ্ধ ধর্ম , খ্রিস্ট ধর্ম , ইহুদি ধর্ম , নাদারা এবং আরও অনেক ছোট-বড় ধর্ম ও আচার-অনুষ্ঠান। এসব ধর্ম ও বিশ্বাসের বৈচিত্র্য থাকা সত্ত্বেও তাদের মূল উদ্দেশ্য মানব জীবনের উন্নতি, শান্তি এবং সমৃদ্ধি অর্জন। প্রত্যেকটি ধর্মই শিক্ষা দেয় ভালোবাসা , সহিষ্ণুতা , দয়া , ন্যায়পরায়ণতা এবং পরস্পরের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মূল্যবোধ । আচার-অনুষ্ঠানের পার্থক্য থাকলেও, মানবিক মূল্যবোধে সকল ধর্ম একসূত্রে গাঁথা। "ধর্ম কোনো বিভাজন নয়, বরং মানুষের মধ্যে একতা ও সংহতির সেতুবন্ধন।" আমাদের উচিত পারস্পরিক ভিন্নতাকে গ্রহণ করে, একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান গড়ে তোলা। কারণ আমরা সবাই একই সূর্যের আলোয় আলোকিত, যার অন্তরে রয়েছে ভালোবাসা ও বিশ্বাসের এক অপার শক্তি। সুতরাং, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, ইহুদি, নাদারা কিংবা অন্য যে কোনো ধর্মের অনুসারী হোন, আমরা সবাই এক মানবজাতি; যার একমাত্র...

আস্থা হারানো নেত্রী — শেখ হাসিনা ও তাঁর পিতার সৃষ্ট ফলার প্রতি মানুষের বিচ্ছিন্নতা

ছবি
  আস্থা হারানো নেত্রী — শেখ হাসিনা ও তাঁর পিতার সৃষ্ট ফলার প্রতি মানুষের বিচ্ছিন্নতা আস্থা হারানো নেত্রী — শেখ হাসিনা ও তাঁর পিতার সৃষ্ট ফলার প্রতি মানুষের বিচ্ছিন্নতা শেখ হাসিনা, তুমি দেশের মানুষের কাছে আর সেই আস্থা রাখো না যা এককালীন তোমার পিতার হাতে গড়ে উঠেছিল। সেই ফলার, যাকে তুমি ধ্বংসাত্মক নীতিমালা ও স্বার্থপরতার মিশেলে এমনভাবে সাজিয়ে রেখেছো, যা আজকের জনগণ স্পষ্ট দেখতে পারছে। তোমার বাবার নামের আশ্রয়ে গড়ে ওঠা সেই পাথেয়, যা একসময় গণতান্ত্রিক স্বপ্ন ও উন্নতির প্রতীক ছিল, আজ সে পথ হারিয়েছে তার আলো। মানুষ বুঝতে পেরেছে, সেখানে আর নেই স্বচ্ছতা, নেই ন্যায় ও সাম্যের বাণী। তুমি সেই পথকে এমনভাবে বিকৃত করেছো যে, সাধারণ মানুষের বিশ্বাসের জোয়ার থমকে গেছে। তোমার শাসনের অধীনে তৈরি সেই কাঠামো—যেখানে ক্ষমতা কেন্দ্রিক, যেখানে স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির গন্ধ সর্বত্র ঘুরছে—সেখানে সাধারণ মানুষের অধিকার ও স্বপ্ন কিছুমাত্র মূল্য রাখে না। তারা আর তোমার বা তোমার বাবার সৃষ্ট ফসলের প্রতি বিশ্বাস রাখতে চায় না, কারণ তারা দেখেছে সেই ফলগুলো বিষাক্ত, যা তাদের জীবনকে বিষিয়ে...