ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন ও মানুষের আচার-আচরণ: লাঙ্গলবন্ধ স্নানের আলোকে পাপ-পুণ্যের ধারণা

 

ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন ও মানুষের আচার-আচরণ – লাঙ্গলবন্ধ স্নানের আলোকে পাপ-পুণ্যের ধারণা
ধর্মীয় জ্ঞান · আচার-আচরণ

ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন ও মানুষের আচার-আচরণ

লাঙ্গলবন্ধ স্নানের আলোকে পাপ-পুণ্যের ধারণা

লেখক: নিতাই বাবু · প্রকাশ: 07 Apr 2016 · হালনাগাদ: 07 Apr 2016

লাঙ্গলবন্ধ ব্রহ্মপুত্র মহাঅষ্টমী পাপ–পুণ্য পরশুরাম

সূচিপত্র

লাঙ্গলবন্ধ স্নান: প্রেক্ষাপট ও আচরণগত প্রশ্ন

ধর্মীয় আচারে তীর্থস্নান প্রাচীন ও সম্মানিত অনুশীলন। তবে একটি বাস্তব প্রশ্ন থাকে—একটি স্নান কি সত্যিই “পাপ মোচন” করে? লেখক এখানে সংসার ও ব্যক্তিগত বিশ্বাসের দ্বন্দ্ব তুলে ধরে দেখিয়েছেন, বাহ্য আচার যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি অন্তরের শুদ্ধতা আরও জরুরি।

মূল ধারণা: পাপ মোচনের আসল স্থান বাহ্য জল নয়, অন্তরের মন—এ কথা লেখক পুরো অভিজ্ঞতার মধ্যে বারবার মনে করিয়ে দেন।

পুরাণকথার আলো: পরশুরাম ও ব্রহ্মপুত্র

লেখায় উল্লিখিত পুরাণকাহিনিতে দেখা যায়—পরশুরামের কুঠার, মাতা রেনুকার পরিণতি ও ধ্যান-ধ্যানান্তরে ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে স্নানের যোগ। এই আখ্যান “লাঙ্গলবন্ধ” নামের ঐতিহ্যিক উৎপত্তির কাব্যিক ব্যাখ্যাও দেয়।

আচার-পার্বণের পেছনে থাকা গল্প আমাদের বিশ্বাসকে অর্থ দেয়; কিন্তু বিশ্বাসের প্রকৃত মূল্য দাঁড়ায় আচরণে—সহমর্মিতা, সংযম ও সততায়।

মহাঅষ্টমীর বাস্তব অভিজ্ঞতা: তীর্থ, ভিড় ও চুরি

লগ্নের সময় ভিড়, ১১টি ঘাটের কোলাহল, স্নানের প্রস্তুতি—সব মিলিয়ে এক জীবন্ত অভিজ্ঞতা। সেই সাথে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা—টাকা হারানো—তীর্থের মাঝেই মানবিক দুর্বলতার স্মারক।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা—স্থানের পবিত্রতা সত্ত্বেও মানুষের আচরণই সমাজকে নিরাপদ বা অনিরাপদ করে।

ধর্ম বনাম আচরণ: পাপ-পুণ্যের আসল পাঠ

আচার-অনুষ্ঠান আমাদের অন্তরের প্রস্তুতি বাড়ায়—কিন্তু নৈতিক রূপান্তর যদি না ঘটে, তবে বাহ্যিক পুণ্য-রীতি টেকসই ফল দেয় না। লেখকের কৌতুক-বিদ্রুপ মিশ্রিত স্বরে প্রশ্নটি তাই স্পষ্ট: স্নান করলেই কি পাপমুক্তি? নাকি আচরণ বদলই সত্যিকার পুণ্য?

মূল লেখা (হুবহু)

পবিত্র ব্রহ্মপুত্র নদে পূণ্যস্নান করে আমি কি পাপ মুক্ত হয়েছি?

নিতাই বাবু Published : 07 Apr 2016, 09:19 AM Updated : 07 Apr 2016, 09:19 AM

এই চৈত্রমাস আসলেই আমি একটা দুশ্চিন্তায় থাকি সব সময়৷ কারণ হলো লাঙ্গলবন্ধ স্নান! সারাদিন বাইরে কাজ করে ঘরে আসলেই শুরু হয় ঐ লাঙ্গলবন্ধের প্রেমতলার বাদ্যযন্ত্রের আওয়াজ৷ আর এই আওয়াজ হলো আমার স্ত্রীর গলার আওয়াজ৷ এবার আর ছাড়বো না, এবার যেতেই হবে, মা বাড়ি থেকে এখানে আসছে স্নানে যাওয়ার জন্য, তোমাকে সাথে যেতেই হবে ইত্যাদি ইত্যাদি৷ আমার স্ত্রী আবার খুবই ধার্মিক, স্বামী ভক্তি না থাকলেও গুরুভক্তি আনেক৷ স্বামীর চরণ ছুঁইয়ে ভক্তি না দিলেও গুরুর চরণের আঙ্গুল চেঁটে খাওয়া লোক আমার স্ত্রী৷ যাক সেসব কথা, কিন্তু আমার কথা হলো যে স্নানে যেয়ে স্নান করলে যদি পাপ মোছনই হতো, তবে মানুষ সরা বছর পাপযুক্ত যত কাজ আছে সব কাজ সম্পাদন করে চৈত্রমাসের এই দিনকার আশায় থাকত৷ সমস্যা নাই পাপের কাজ করার জন্য৷ স্নানতো আছে? লাঙ্গলবন্ধের ব্রহ্মপুত্র নদ তো আছে? সেখানে গিয়ে স্নান করলেই তো পাপমুক্ত হয়ে যাব৷ এসব কথাগুলো আমার স্ত্রীকে শোনালাম, যাতে সে যেন বুঝতে পাড়ে পাপ মোছনের জায়গা লাঙ্গলবন্ধের ব্রহ্মপূত্র নদ নয়, পাপ মোছনের জায়গা হলো নিজের মনের ভিতর৷ এটা শুধু আমার কোমলমনা স্ত্রীকে বুঝাইতে চেয়েছিলাম, কিন্তু না, দাড়ায় বিপরীত দিক৷ কোন কথা শুনতে সে নারাজ, সে যবেই যাবে না আর হয় না৷ সংসারক্ষেত্রে স্ত্রীর বাক্য তো শুনতেই হয়, না শুনেতো আর উপায় নেই৷ তারপর ও স্ত্রীকে বুঝাতে চেয়েছিলাম যে, আগে তুমি তোমার মনকে স্নান করাও তারপর না হয় স্নানে যাও৷ আমার কথা শুনে আমাকে আমার স্ত্রী বলে তুমি লাঙ্গলবন্ধের কি জান? জানলে বলো কোথায় থেকে কি হলো৷ তখন আমার স্ত্রীকে বললাম শোন তা হলে৷ শোন শোন ওগো আমার কোমল মনা রমণী, শোন তবে বলছি আমি লাঙ্গলবন্ধের কাহিনী। পুরাণ মিথ হতে পাওয়া যায় একটা চরিত্র, পরশুরাম টেনে আনে এই আধি ব্রহ্মপুত্র। পরশু কথার অর্থ হলো হাতের কুঠার; রাম কথার অর্থ হলো বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার। পরশুরামের বাবা ছিলেন জমদগ্নি মণি, মা ছিলেন রেনুকা দেবী লোকের মুখে শুনি। ঘরে ছিলেন পরশুরামের আরো চারভাই, পরশুরাম সহ ছিলেন তাহারা পাঁচ ভাই। একদিন রেনুকা দেবী গেল গঙ্গা স্নানে, শতবাহু রাজার কৃর্তী দেখল দুইনয়নে। শতবাহু রাজা তখন শত স্ত্রী নিয়া, জলকেলি খেলা রাজায় যায় খেলিয়া। রাজার খেলা দেখে রেনুকা ভাবে মনেমনে, আমি যদি থাকতাম এখন ঐ রাজার সনে। এই ভেবে রেনুকা ভাবতে লাগল, এদিকে তাহার পূজার সময় শেষ হতে চলল। বিলম্ব করে রেনুকা ঘরে ফারে যায়, এতক্ষণ তুমি কোথায় ছিলা মণি জানতে চায়। স্বামীর কথায় রেনুকা উত্তর না দিলো, ক্ষিপ্ত হয়ে মনি তখন ছেলেদের বলল"পাঁচজন পুত্র আমার আছে বর্তমান, তোদের মায়ের কথা শুনলে হবে অপমান। দুষ্টমনা রমণী আমার আগে না জানতাম, জানলে আমি তোদের মাকে ঘরে রাখতাম না। যা দেখলাম ধ্যানে আমি তা বলবো না, হত্যা কর তোদের মাকে পাপ হবে না। পিতার বাক্য শুনলো যখন তারা পাঁচভাই, চারভাই বলে মাতৃহন্তা মহা পাপ চলো পলাই। চলে গেল চার ভাই রইল পরশুরাম, জমদগ্নি মনি বলে বাছাধন তোমারে বললাম- শোন যদি আমার বাক্য পাবে বর তুমি, স্বর্গবাসি হবে তুমি বলে দিলাম আমি। পিতার আদেশ পেয়ে পরশুরাম কুঠার হাতে নিলো, বরের আশায় পরশুরাম মায়ের মাথায় আঘাত করলো। সেই আঘাতে মা রেনুকা মাটিতে পড়ে লুটিয়া, নিশ্চিত মৃত হয়েছে মায়ের গেল বুঝিয়া। পরক্ষণে হাতের কুঠার নামাতে যে চায়, কিছুতে পারেনা নামাতে কুঠার করে হায় হায়। লেগে থাকল কুঠার পরশুরামের হাতে, স্বর্গপ্রাপ্তির আশায় করলাম পাপ লাভ হল কি তাতে? হাতের কুঠার হাতে নিয়ে পিতার কাছে যায়। পিতা বলে শোন বাছা বলি যে তোমায়, মাতৃভক্তি কেমন আছে তোমার মনপ্রানে, এমন পাষণ্ড আমি দেখিনাই ভুবনে। কেমন তোমার মাতৃভক্তি কেমন তোমার কর্ম,পরীক্ষা করে দেখলাম আমি কেমন তোমার ধর্ম। পরশুরাম বলে পিতা শুনেন আমার কথা, জীবন যায় এখন আমার হাতের ব্যথায়। আরো ব্যথা মনে আমার মায়ের লাগিয়া, মা কে বাঁচয়ে দেন পিতা বলে কাঁদিয়া। লাগবেনা স্বর্গ আমার নরক বহু ভাল, আমার মাকে বাঁচিয়ে দেন দেখুন ভুবন আলো। পুত্র কথা শুনে মণি ধ্যানে বসে পড়ে, ধ্যানে বসে জমদগ্নি মণি আরাধনা করে। মণির আরাধনায় প্রাণে বাঁচে মায়, পরশুরামের হাতের কুঠার লেগে রয় তথায়। পিতা বলে শোন বাচা তোমারে দেই বলি,তাড়াতাড়ি হিমালয়ে তুমি যও চলি। সেখানে আছে এক পর্বতসরোবর,ব্রহ্মপুত্র নাম যার শুনো তার খবর"স্নান কর যাইয়া তুমি সরোবরের জলে,হাতের কুঠার নামবে তখন প্রভূর কৃপা ফলে"পিতার কথা শুনে পরশুরাম করলো গমন,হিমালয় পৌঁছে সরোবর পেলো তখন"ভক্তি মনে কুঠার সহ স্নান করে যখন,সাথে সাথে হাতের কুঠার পড়ে যায় তখন"চিন্তিত হয়ে পরশুরাম ভাবে মনে মনে,এখানে থাকিলে সরোবর কে আসবে এখানে। এই সরোবর এখানে আর রাখবো না আমি,হাতের কুঠার লাঙ্গল করে করবো টানাটনি"যেই কথা সেই কাজ টানিতে লাগলো, টানিতে টানিতে ব্রহ্মপুত্র সরোবর এখানে আনিলো। এখানে আসিয়া লাঙ্গল টানা করলো বন্ধ, সেই থেকে হয় জায়গার নাম লাঙ্গলবন্ধ। এই প্রবিত্র লাঙ্গলবন্ধ স্নান প্রতি বছর চৈত্র অষ্টমী তিথিতে যথারীতি লগ্নে হয়ে থাকে৷গত বছর এই মহাঅষ্টমী স্নানের তারিখ ছিল ২৭শে মার্চ২০১৫ইংরাজী৷ নির্ধারিত লগ্ন ছিল ৮টা১৯মিঃ৪০সেকেন্ডে৷ আমার স্ত্রীর অনুরোধে ২৬শে মার্চ২০১৫ ইংরাজী তারিখে বাত ১২টার সময় আমার স্ত্রীর বড়বোন সহ আমারা তিনজন রওনা দিলাম মহাঅষ্টমী স্নানের উদ্দেশে৷বাস গাড়ি যোগে রাত ১টা৩০মিঃ সময় লাঙ্গলবন্ধ পৌঁছাই৷ সরারাত সেখানে ঘোরা-ফেরা করে আর কেনা-কাটা করে সময় পাড় করলাম৷ লগ্ন আরম্ভ হওয়ার পর আর দেরি না করে তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরবো মনস্থির করলাম৷ সকালবেলা লগ্ন হওয়ার কাছাকাছি সময়ে প্রতিটি স্নান ঘাটে বহু লোকের সমাগম৷কার আগে কে স্নান করবে এই নিয়ে চলে হুলস্থুল৷মানুষের সুবিধার জন্য এখানে মোট ১১টি স্নান ঘাট আছে,তার মধ্যে রাজ বাড়িঘাট অন্যতম৷লোকের সমাগম এই ঘাটেই বেশি হয়৷তাছাড়া ঘাট ছাড়াও নৌকা নিয়েও অনেক মানুষকে স্নান করতে দেখা যায়৷ ২০১৫ সালে ব্রিজ ভাংগার হুজুগে স্বর্গীয় মানুষ গুলো ২০১৫ সালে ব্রিজ ভাংগার হুজুগে স্বর্গীয় মানুষ গুলো আমরা রাজবাড়ি ঘাটে অবস্থান নিলাম,এখানে মহিলাদের কাপড়চোপড় বদলা-বদলি করার সুব্যবস্থা আছে৷ স্নান লগ্ন আরম্ভ হল, হুলস্থুলের মধ্যেই স্নান করতে হবে,নাহয় সকালবেলা বাসায় ফিরে আর অফিস করার সময় পাওয়া যাবেনা বলে মনে মনে ভাবছি৷আমার স্ত্রী সহ দুইজন একসাথে স্নান করবো,সাথে করে নিয়ে যাওয়া টাকাপয়সা আমার স্ত্রীর বড়বোনের নিকট রেখে দুইজন স্নান করতে নামলাম ঘাটে,স্নান করলাম বাবা মায়ের নামে পিন্ডি দিয়ে ঘাট হতে উঠে এলাম৷আমার স্ত্রী উঠে কাপড়চোপড় বদলানোর জন্য গেলো বদলা-বদলির স্থানে৷ সেখান থেকে এসে বড়বোনকে বললো দিদি তুমি যাও স্নান করার জন্য তাড়াতাড়ি করে,একটু পরে আরো ভিড় বাড়বে তখন স্নান করতে কষ্টকর হবে৷বড়বোন আচ্ছা ঠিক আছে যাই তবে৷আমার স্ত্রী বড়বোনকে বলল আমার টাকাপয়সা বুঝিয়ে দিয়ে যাও৷তখন বড়বোন কোমরে গুজে রাখা স্থানে হাত দিয়েই আবার কপালে হাত৷আমার স্ত্রী বলে কি দিদি কি হলো টাকা?আমার স্ত্রীর বড়বোন কাঁদতে লাগল,আর খুঁজতে লাগল চারদিক৷আমি জানতে চাইলাম টাকার সংখ্যা কত?আমার স্ত্রী ভয়ে আর টাকার সংখ্যা বললো না৷আর কি করা তীর্থে এসে সর্বহারা হলাম৷আমি আমার স্ত্রীর বড়বোনে বললাম যা হবার তো হলো এবার স্নান করে আসুন৷বড়বোনও স্নান করলো,কাপড়চোপড় বদলাল,ভেজা কাপড়চোপড় বেগে ভরে রাজঘাট ত্যাগ করলাম আর হাঁটতে লাগলাম৷হাঁটতে হাঁটতে আমার স্ত্রীকে বললাম সত্যি করে বল টাকার সংখ্যা কত?তখন কাঁদতে কাঁদতে বললো ২৫০০/=টাকা৷ আমার নাতিনদের জন্য কিছু কিনবো বলে টাকা গুলো আনলাম স্নানে, আর সেই টাকা নিলো চোরে৷ স্ত্রীকে বললাম পুণ্যস্থানে চুরিচামারি করাও এক প্রকার পুণ্যকর্ম৷ তীর্থস্থানে তীর্থ করে যদি সবার পুণ্য হতো বা পাপমুক্ত হতো তবে সবাই একমাস আগে থেকে লাইন ধরে বসে থাকতো পাপমুক্তির আশায়৷ আমরাও তো পুণ্যস্নান করলাম, আমাদের তো পুণ্য হয় নাই৷ পুণ্য যদি হতো তবে এত কষ্টের রোজগারের টাকা চুরি হবে কেন? পুণ্যকর্ম করেছে ঐ চোরে, পাপ থেকে মুক্তি লাভ করেছেও ঐ চোরে৷ আর পাপমুক্ত হয়েছে যহারা ব্রিজভাংলো হুজুগে পড়ে পদদলিত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে তাদের৷ তাহারাই হয়েছে স্বর্গবাসি৷ তাদের হলো স্নান করার সাথে সাথে কত গুলো টাকা পেয়ে গেল, আর স্নান করার সাথে সাথে কিছু লোককে ভগবান স্বর্গে নিয়ে গেল৷ এটাও একটা পুণ্যের ফল

লাঙ্গলবন্ধ, ব্রহ্মপুত্র—মহাঅষ্টমী স্নান (২০১৫)

পোস্টটি শেয়ার করুন

© নিতাই বাবু — ধর্মীয় জ্ঞান · আচার-আচরণ · লাঙ্গলবন্ধ

এই পোস্টটি সহযোগিতায় ও তথ্য-সহ তৈরি করা হয়েছে:

ChatGPT by OpenAI

তথ্য ও নির্দেশনা সাধারণ শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় আইন বা রীতিনীতি পরামর্শ গ্রহনের ক্ষেত্রে যথাযথ ধর্মীয় বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করুন।

নিতাই বাবু

নিতাই বাবু

পুরস্কারপ্রাপ্ত নাগরিক সাংবাদিক – ২০১৭। লেখালেখির শুরু শৈশবে, এখনো চলছে।
মূলত সমাজ, সংস্কৃতি, স্মৃতিচারণা ও ছন্দনিবদ্ধ রচনায় আগ্রহী।
ভাষার শুদ্ধচর্চা ও সাহিত্যসমৃদ্ধ বাংলার প্রতি অগাধ ভালোবাসা।

🌐 ব্লগ: নিতাই বাবু ব্লগ | জীবনের ঘটনা | চ্যাটজিপিটি ভাবনা

পোস্টটি ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন:

Facebook Facebook Twitter Twitter WhatsApp WhatsApp Email Email
এই পোস্টটি পড়েছেন: 0 জন

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আমার শৈশবের বন্ধু— শীতলক্ষ্যা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঈশ্বর ভাবনা

মা নাই যার, সংসার অরণ্য তার